Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬
tmc

পেশায় ইটভাটার শ্রমিক, নেই পাকা বাড়ি! আবাস যোজনার ঘরও ফেরালেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান

কেন ঘর ফেরানোর সিদ্ধান্ত?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৩, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৩, ২১:১৬

options
link
পেশায় ইটভাটার শ্রমিক, নেই পাকা বাড়ি! আবাস যোজনার ঘরও ফেরালেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান zoom

রাজা দাস, বালুরঘাট: দারিদ্র সীমার নিচে থেকেও নেননি সরকারি আবাস যোজনার সুবিধা। মাটির ভাঙা বাড়িতেই তিন মেয়ে, স্ত্রী নিয়ে বসবাস। ইট ভাটায় শ্রমিকের কাজের পাশাপাশি নিজের সামান্য জমি আবাদ করেই পরিবার নিয়ে সুখী পঞ্চায়েত প্রধান। শাসকদলের জন প্রতিনিধিদের আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে যখন তোলপাড় রাজ্য, এই পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী চরিত্র বালুরঘাটের ভাটপাড়ার প্রধান।

দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ব্লকের ৫ নম্বর ভাটপাড়া পঞ্চায়েত তৃণমূলের দখলে। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মুকুল বর্মন। চেহারার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একেবারে সাদামাটা তাঁর জীবনযাপন। রোজ বাড়ি থেকে পঞ্চায়েত কার্যালয়ে পৌঁছতে তার একমাত্র ভরসা সাইকেল। মানুষকে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বহণ করলেও তিনি নিজে কাজ করেন ইট ভাটায়। এর ফাঁকে নিজের সামান্য জমিতে চাষও করেন মুকুলবাবু। গ্রামবাসীদের সুবিধার্থে অফিসের সিল প্যাড নিজের সঙ্গেই রাখেন। শংসাপত্র-সহ যাবতীয় কাজ নিজের কাজের ফাঁকেই সম্পন্ন করেন তিনি। তবে নিজের মোটর সাইকেলে চড়ার ইচ্ছে তারও রয়েছে। তবে তা অবশ্যই সৎপথে উপার্জনের অর্থে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠা দিবসে বিজেপির কার্যালয়ে তালা, আদি-নব্যর গোষ্ঠীকোন্দলে উত্তপ্ত বর্ধমান]

ভাটপাড়া গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান মুকুল বর্মন বলেন, “ইট ভাটার পাশাপাশি আগে মানুষের বাড়িতে দিনমজুরি কাজ করতাম। সময়ের অভাবে এখন দিনমজুরি করি না বটে, কিন্ত ইট ভাটায় শ্রমিকের কাজ করি এখনও। সেইসঙ্গে বাবার দু’বিঘা জমির মধ্যে এক বিঘায় চাষ করি। তবে এতে মানুষের পরিষেবায় ঘাটতি রাখিনি। অফিস বাড়ি তো বটেই, প্রয়োজনে আমি কর্মক্ষেত্রে থেকেও প্রয়োজনীয় যা কাজ করে দিই।

সরকারি আবাস যোজনার আওতায় আসার সুবিধা থাকা স্বত্বেও মাটির বাড়িতে থাকা নিয়ে তার উত্তর, “আমি নেব কেন। গ্রামের অনেকে বাড়ি পাননি এখনও। আমি আগে বাড়ি পেলে অন্যরকম কথা বলবে লোকে। তারা আগে পাক। পরে আমারটা দেখা যাবে।” বাইক কেনার প্রশ্নে প্রধান একগাল হেসে জানান, “ইচ্ছা কার না হয়। তবে টাকা পয়সা নেই আমার।” গ্রামবাসী রাম প্রসাদ বর্মন বলেন, “প্রধানের কাছে কোনও কাজ নিয়ে গেলে অহেতুক কাউকে ঘুরতে হয় না। তাঁর অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনে আমরা আপ্লুত। নিজের জন্য নয়, তিনি কাজ করেন গ্রামের মানুষের জন্য। তাঁকে আবার প্রধান হিসেবে দেখতে চাইছি আমরা।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.