নবেন্দু ঘোষ, বসিরহাট: রাতভর নিখোঁজ ছিলেন। সকালে বাড়ির লাগোয়া একটি পুকুরে ভেসে উঠল এক তৃণমূল কর্মীর দেহ। ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায়। বিজেপির বিরুদ্ধে পরিকল্পনামাফিক খুনের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
[আরও পড়ুন: বাড়ি থেকে উদ্ধার নববধূর ঝুলন্ত দেহ, খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার]
মৃতের নাম মুজিবর মোল্লা। বাড়ি, হাড়োয়ার খাটরা এলাকায়। এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, হাড়োয়াতেই একটি মাছের ভেড়িতে কাজ করতেন মুজিবর। রোজকার মতোই বুধবার কাজে বেরিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। খোঁজাখুঁজি করেও মুজিবরের খোঁজ পাননি পরিবারের লোকেরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে যখন ফের খোঁজাখুঁজি শুরু হয়, তখন তাঁদের নজরে পড়ে, বাড়ির কাছে একটি পুকুরের ধারে মুজিবরের টর্চটি পড়ে আছে। এরপর ওই পুকুরেই মৃতদেহটি ভাসতে দেখা যায়। এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুকুর থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে হাড়োয়া থানার পুলিশ।
কিন্তু কীভাবে মারা গেলেন তৃণমূল কর্মী মুজিবর মোল্লা? পুলিশের বক্তব্য, মৃতদেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন ছিল না। সেক্ষেত্রে জলে ডুবে মৃত্যুর সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। যদিও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের দাবি, হাড়োয়া অঞ্চলের দলের অত্যন্ত সক্রিয় কর্মী ছিলেন মুজিবর। তাঁকে পরিকল্পনামাফিক খুন করেছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। অন্যদিকে দলের গোষ্ঠীকোন্দলের কারণে ওই তৃণমূলকর্মীকে খুন হতে হয়েছে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি নেতারা। তবে তৃণমূল নেতার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হাড়োয়া থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: ‘লহ প্রণাম’, ৭৮তম প্রয়াণ দিবসে প্রাণের ঠাকুরকে শ্রদ্ধার্ঘ্য বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের]
সর্বশেষ খবর
-
‘ডিভোর্সের আগে জন্মদিনে দেবশ্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম…’, কোন ‘অভিমান’-এর কথা বললেন প্রসেনজিৎ?
-
নিউ আলিপুর থানার সামনে উত্তেজনা, স্বরূপ অনুগামীদের মার ক্রুদ্ধ জনতার, নামল বাহিনী
-
বৈভবকে নিয়ে আলোচনা বিলেতেও, অন্য দুই দেশের টেস্টেও উঠল ভারতীয় দলে নেওয়ার দাবি
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?