Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
তৃণমূল

ভোট পরবর্তী হিংসা রাজ্যজুড়ে, মুর্শিদাবাদে গুলিবিদ্ধ পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী

ক্যানিংয়ে থানা ঘেরাও করে ৩ ঘণ্টা ধরে চলে বিক্ষোভ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০১৯, ১৯:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০১৯, ১৯:১০

options
link
ভোট পরবর্তী হিংসা রাজ্যজুড়ে, মুর্শিদাবাদে গুলিবিদ্ধ পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে এসেছে। সোমবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। মুর্শিদাবাদে গুলিবিদ্ধ হলেন পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। রবিবার রাতে তুফানগঞ্জে আক্রান্ত হন এক তৃণমূল কর্মী ও তাঁর স্ত্রী। ইলামবাজারে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের সামনে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল কর্মীদের ফাঁসানোর অভিযোগে বিক্ষোভ দেখান ক্যানিংয়ের তৃণমূল কর্মীরা।

[আরও পড়ুন: ‘মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ’, সাংসদ হওয়ার পর প্রথমবার বসিরহাটে গিয়ে আপ্লুত নুসরত]

জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে স্ত্রীকে পঞ্চায়েত কার্যালয়ে ছেড়ে বাইকে বাড়ি ফিরছিলেন সঞ্জিত রায় নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।  রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সঞ্জিত। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে এলাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে এখন কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সঞ্জিত। এই হামলার নেপথ্যে কী কারণ, তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ। 

Advertisement

অন্যদিকে, কোচবিহারের তুফানগঞ্জে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী ও তাঁর স্ত্রী। ভাঙচুর করা হয়েছে তাঁদের বাড়িতেও।  অভিযোগ, ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, এই দাবি তুলে ওই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে চড়াও হয় বিজেপির কর্মীরা। তা দিতে রাজি না হওয়ায় রবিবার রাতে ওই ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রীকে মারধর করা হয়। পাশপাশি, ইলামবাজারে তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে।

[আরও পড়ুন: ‘পুলিশের জিভ ছিঁড়ে নেব’, হুমকি দিয়ে বিতর্কে বীরভূমের বিজেপি নেতা]

অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়চকে বিজেপি কর্মীদের দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজিও করা হয়। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় জমি পুনরুদ্ধারের জন্য এই ঘটনা ঘটিয়েছে। যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

আরেকদিকে, ক্যানিংয়ের তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তাঁদের দলীয় কর্মীদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে পুলিশ। একাধিক তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এমনকী তাঁদের থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকালে ক্যানিং থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের কর্মীরা। প্রায় ৩ ঘণ্টা চলে বিক্ষোভ। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ক্যানিং-বারুইপুরগামী রাস্তা। পরে পুলিশের আশ্বাসে ওঠে অবরোধ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.