সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘মহাজোট করছেন করুন, কিন্তু পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে, সে মাটি রক্ষা করুন’- পুরুলিয়ার সভা থেকে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। প্রত্যাশিত পথেই পালটা এল তৃণমূলের তরফে। তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় পালটা হুঁশিয়ারি দিলেন অমিত শাহকে। পার্থ বললেন, ‘আগে দিল্লি সামলান তার পর বাংলার দিকে নজর দেবেন।‘ এদিনে বিজেপি সভাপতি বেশ কয়েকটি ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন। একে একে সব অভিযোগেরই পালটা জবাব দেন তৃণমূল মহাসচিব।
[অনুপম হাজরাকে অবিলম্বে কাজে ফেরাতে হবে, বিশ্বভারতীকে নির্দেশ হাই কোর্টের]
বিজেপি সভাপতি দাবি করেছিলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্য থেকে ২২টিরও বেশি আসন পেয়ে বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসবে বিজেপি। তৃণমূল মহাসচিব বললেন, ১৯-এ দিল্লির গদিই বাঁচাতে পারবে না গেরুয়া শিবির, এরাজ্যের কথা তাঁদের না ভাবাই ভালো। রাজ্যের আরেক মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম দাবি করছেন, মুর্খের স্বর্গে বাস করছে বিজেপি, ১৯’-এ ৪২টি আসনের ৪২টিতেই জয়ী হবে তৃণমূল, আর তা বুঝতে পেয়েই প্রলাব বকছেন তাদের সর্বভারতীয় সভাপতি। এরাজ্যে ‘দাঙ্গাবাজ’-দের স্থান হবে না বলেও দাবি করেন পুরমন্ত্রী।
[ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব লক্ষাধিক টাকা, ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেপ্তার ২ যুবক]
পুরুলিয়ায় বিজেপির সভা ছিল দলের তিন কর্মীর রহস্যমৃত্যুর প্রতিবাদে। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সুর চড়ান বিজেপি সভাপতি। তিনি বলেন, “রবীন্দ্র সংগীতের বাংলায় এখন বোমার আওয়াজ ছাড়া কিছুই শোনা যায় না।” পালটা পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যে যত ভোট হচ্ছে তত জনপ্রিয়তা বাড়ছে তৃণমূলের, আর সেকারণেই অপপ্রচার করছে বিজেপি।
[জমি নিয়ে বিবাদ, স্বাধীনতা সংগ্রামীর মূর্তিতে মালা দিতে দিলেন না গ্রামবাসীরা]
পুরুলিয়ার সভাতে বিজেপি সভাপতির সবচেয়ে বড় বোমাটি সম্ভবত ফাটিয়েছিলেন কেন্দ্রের পাঠানো টাকার সঠিক ব্যবহার না করার অভিযোগ এনে। অমিত শাহ অভিযোগ করেন, ‘’কেন্দ্রের পাঠানো ৩৬০ কোটি টাকা মানুষের কাছে পৌঁছানোর আগেই আত্মসাৎ করে ফেলেছে তৃণমূলের সিন্ডিকেট। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিতে চাইছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।‘’ বিজেপি সভাপতির দেওয়া এই তথ্যের সত্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। উলটে তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ আনেন। উল্লেখ্য, অমিত শাহ আজ জনসভায় যে তথ্যগুলি দিয়েছেন তাঁর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। কারণ, কদিন আগেই নীতি আয়োগের বৈঠকে রাজ্যের কাজের প্রশংসা করেছিল খোদ কেন্দ্র সরকার। ভালো কাজ করায় আর্থিক প্যাকেজে থেকে বঞ্চিত হয়েছিল বাংলা, তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও। তারপরেও রাজ্যে এসে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ কীভাবে তুলছেন বিজেপি সভাপতি? প্রশ্ন তৃণমূল নেতাদের একাংশের।
সর্বশেষ খবর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার
-
টিটাগড়-বারাকপুর পুর-দুর্নীতিতে স্পেশাল অডিটের দাবি, মেট্রো নিয়েও তৎপর কৌস্তভ