সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: সৌন্দর্য-রানি অযোধ্যা পাহাড়ের পর্যটনের প্রসারে পাহাড়ি ঢাল বা উপত্যকাকেও ব্যবহার করলে চাইছে পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন৷ তাই পাহাড়ি ঢাল বা উপত্যকাতে পর্যটন প্রকল্প হাতে নিয়েছে তারা৷
জঙ্গলমহল বলরামপুরের অযোধ্যা পাহাড় রেঞ্জের হেদেলবেড়া ও কুমারীকাননে এভাবে দু’টি পরিবেশ বান্ধব ট্যুরিস্ট স্পট তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ মোট ৬৪ লক্ষ টাকায় এই দু’টি পর্যটন প্রকল্প তৈরি করবে প্রশাসন৷ কুমারীকানন প্রকল্পের ৩৯ টাকার প্রকল্প রিপোর্ট ইতিমধ্যেই রাজ্য পর্যটন দফতরে পাঠিয়ে দিয়েছে তারা৷ হেদেলবেড়া পর্যটন প্রকল্পটি জঙ্গলমহল অ্যাকশন প্ল্যান থেকে নেওয়া হয়েছে৷ এই প্রকল্পে ১৫ লক্ষ টাকায় কটেজ ও ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পাহাড়ের গায়ে রেস্ট শেড বা বিশ্রামাগার তৈরি হবে৷ পুরুলিয়ার জেলাশাসক তন্ময় চক্রবর্তী বলেন, “অযোধ্যা হিলটপ ছাড়াও তার আশপাশে অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগাতেই এই দু’টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে৷”
যে দু’টি পাহাড়ি উপত্যকায় এই পর্যটন প্রকল্প গড়ছে প্রশাসন, অতীতে ওই এলাকা মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চল ছিল৷ ফলে ওই এলাকায় অপরূপ পাহাড়ি সৌন্দর্য থাকা সত্ত্বেও এখানে পা রাখতেন না পর্যটকরা৷ বলরামপুরের বিডিও পৌষালি চক্রবর্তী বলেন, “এখানকার কটেজগুলি একটু আলাদারকম হবে৷ মাটি ও বাঁশ দিয়ে তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে৷” কুমারীকানন প্রকল্পটিতে পর্যটন দফতর সিলমোহর দেওয়া সময়ের অপেক্ষা৷ সামগ্রিক অঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ বা সিএডিসি-র কুমারীকানন ফার্মের ভিতর যে তিনতলা গোল ঘর রয়েছে তাকে ঘিরে কটেজ তৈরি হবে৷ হেদেলবেড়া প্রকল্পে উসুলজুরি যাওয়ার পথে ডানদিকে পাহাড়ি ঢালে কটেজগুলি তৈরি করবে প্রশাসন৷ দু’টি রেস্ট হাউস হবে খুনটাঁড় ও হেদেলবেড়ার মাঝখানে৷
সর্বশেষ খবর
-
রাশিয়ার মারে নাজেহাল! যুদ্ধের মাঝেই সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত ক্ষুব্ধ জেলেনস্কির
-
ইস্টবেঙ্গলে হাবাস, মোহনবাগানে প্যানোস, দুই নতুন হেডস্যরের অধীনে ডার্বির প্রস্তুতিতে দুই প্রধান
-
‘আমি নিজেই অপরাধী,’ তসলিমার প্রত্যাবর্তনে অকপট ‘স্বীকারোক্তি’ জয় গোস্বামীর, কেন?
-
‘চাইলে জামাকাপড় খুলে রাস্তায় মারতে পারি’, রাখঢাক না করেই অভিষেককে আক্রমণ দিলীপের
-
‘তুলে দেওয়া হোক নিট, চিকিৎসা-শিক্ষায় রাজ্যকে দেওয়া হোক পূর্ণ ক্ষমতা’, দাবি বিজয়ের