Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Murshidabad

সংসারের অভাব মেটাতে ভিনরাজ্যে কাজে! তামিলনাড়ুতে মর্মান্তিক মৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের

ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে আরও এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘটল। মৃতের নাম সমীরুল হক। বাড়ি মুর্শিদাবাদের লালগোলা ব্লকের খলিফাবাদ গ্রামে। তামিলনাড়ুতে কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনই। জানা গিয়েছে, কাজ করার সময় ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তাঁর মৃত্যু হয়।

Advertisement
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৬:৪৮

link
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৬:৪৮

options
link
সংসারের অভাব মেটাতে ভিনরাজ্যে কাজে! তামিলনাড়ুতে মর্মান্তিক মৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের zoom
শোকের ভেঙে পড়েছেন মৃতের স্ত্রী। নিজস্ব চিত্র

ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে আরও এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘটল। মৃতের নাম সমীরুল হক। বাড়ি মুর্শিদাবাদের লালগোলা ব্লকের খলিফাবাদ গ্রামে। তামিলনাড়ুতে কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। জানা গিয়েছে, কাজ করার সময় ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তাঁর মৃত্যু হয়। এদিন ওই পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ গ্রামে নিয়ে আসা হয়। মৃতদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিল সমীরুল। ফলে এরপর কীভাবে সংসার চলবে? সেই আতঙ্ক গ্রাস করেছে ওই পরিবারকে।

জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির তিনটি সন্তান আছে। আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল নয়। তার উপর মাথায় বেশ কিছু টাকার ঋণের বোঝাও ছিল। এই অবস্থায় বেশি রোজগারের আশায় সমীরুল ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে গিয়েছিলেন। তামিলনাড়ুতে রাজমিস্ত্রীর কাজ করছিলেন তিনি। বেশি টাকা উপার্জনের মধ্য দিয়ে পরিবারের দারিদ্র মুছবে। এমনই আশা করেছিলেন তিনি। কিন্তু তার মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

Advertisement
Tragic death of migrant worker from Murshidabad in Tamil Nadu
বাড়িতে প্রতিবেশীদের ভিড়। নিজস্ব চিত্র

তামিলনাড়ুতে একটি জায়গায় নির্মাণকাজ চলছিল। মাথার উপর দিয়ে গিয়েছিল ১১ হাজার ভোল্টের হাই ভোল্টেজ বিদ্যুতের লাইন। কাজের সময় সেই বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে গিয়েছিলেন তিনি। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন স্ত্রী। এদিন খলিফাবাদ গ্রামে মৃতদেহ পৌঁছয়। জানা গিয়েছে, সমীরুল ছিল সংসারে একমাত্র রোজগেরে। এরপর কীভাবে সংসার চলবে? কীভাবে ঋণ মেটানো হবে? সেই দুশ্চিন্তা গ্রাস করেছে পরিবারকে। স্ত্রীর কান্না জড়ানো গলায় দাবি, “সরকার যদি এখনই আমাদের পাশে না দাঁড়ায়, তাহলে এই পরিবারটা বাঁচবে না। আমাদের বাচ্চাগুলোর ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে যাবে।” ঘটনায় শোকস্তব্ধ এলাকাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.