Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

ছুটি নেওয়ায় আধিকারিকদের বিদ্রুপ, অভিমানে আত্মঘাতী ট্রেনচালক

ট্রেন চালকের মৃত্যুতে অগ্নিগর্ভ খড়গপুর, আক্রান্ত সংবাদমাধ্যম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৮, ২১:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৮, ২১:৪০

options
link
ছুটি নেওয়ায় আধিকারিকদের বিদ্রুপ, অভিমানে আত্মঘাতী ট্রেনচালক zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ছুটি নেওয়ায় আধিকারিকদের বিদ্রুপ। অভিমানে আত্মঘাতী হলেন ট্রেন চালক। মৃতের নাম গুড্ডু কুমার কেশরী(২৮)৷ বাড়ি ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ থানার তুরিয়াতে। খড়গপুরের ভাড়াবাড়িতে চালকের দেহ উদ্ধারের পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সহকর্মীরা। শুরু হয় বিক্ষোভ। রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় খড়গপুর স্টেশন লাগোয়া বোগদা এলাকা। এই বিক্ষোভের খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরাও।

জানা গিয়েছে, চালক গুড্ডু কুমারের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। সেকারণেই আধিকারিকদরে কাছে কয়েকদিনের ছুটি চেয়েছিলেন তিনি। লিখিতভাবে ছুটির আবেদন জমা করলেও তা মঞ্জুর হয়নি। এরপর একপ্রকার জোর করেই বাড়ি চলে যান গুড্ডু কুমার কেশরী৷ পরে কর্মস্থলে ফিরে এলে তাঁকে কাজে যোগ দিতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেই সঙ্গে চলে নানারকম ব্যঙ্গও। প্রায় ১৫দিন টানাপোড়েনের পর এদিন সকালেই স্থানীয় পুরাতন বাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে ওই চালকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। এদিকে গুড্ডু কুমার বাড়ি থেকে ফিরে আসার পর তাঁর সঙ্গে ঘটে চলা সমস্ত ঘটনাই জানতেন সহকর্মীরা। এদিন ভাড়া বাড়ি থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হতেই ট্রেন চালক ও গার্ডরা তাঁদের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। শুরু হয় বিক্ষোভ। কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে ভাঙচুরও চালানো হয়। বেশ কয়েকজন আধিকারিকের খোঁজ করেন বিক্ষুব্ধরা। তবে তাঁদের সন্ধান না পেয়ে কার্যলয়ে ঢুকে রীতিমতো তাণ্ডব চলে। গুরুত্বপূর্ণ নথিও ছিঁড়ে ফেলা হয়।

Advertisement

[প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হলেও দাড়িভিট হাই স্কুল খোলা নিয়ে জারি অচলাবস্থা]

পরিস্থিতি নিয়্ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। কয়েকজন রেলকর্তাও বিক্ষুব্ধদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। এদিকে এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির খবর করতে গিয়ে  আক্রমণের মুখে পড়েন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। বিক্ষুব্ধদের হাতে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হন সংবাদ প্রতিদিনের চিত্র সাংবাদিক সৈকত সাঁতরা৷ তাঁর ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে চলে বেধড়ক মারধর। পরে আরপিএফ গিয়ে আক্রান্ত চিত্র সাংবাদিককে উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় রেলের খড়গপুর ডিভিশনের সিনিয়র ডিসিএম তথা জনসংযোগ আধিকারিক কুলদীপ তিওয়ারি জানিয়েছেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের হাতে এলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। তবে ঘটনার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিক্ষোভের জেরে খড়গপুর শাখার রেল চলাচলেও কোনও সমস্যা হয়নি বলে খবর।

[বেহাল রাস্তার জেরে কিশোরের মৃত্যু, ভাঙচুর-অবরোধে রণক্ষেত্র পালিতপুর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.