সৌরভ মাজি, বর্ধমান: বিকাশ ঘোষ৷ তিনি মাটিতেও আছেন, আবার পাঁকেও আছেন৷ মশকরা করে এখন তাঁর সম্পর্কে এমনটাই চর্চা করছেন চায়ের দোকানে৷ পাড়ার মোড়ের আড্ডায়৷ আর করবেন নাই বা কেন?
বিকাশ ঘোষ ঘাসফুলের সঙ্গেও আছেন৷ আবার পদ্মফুলেও আছেন! পূর্ব বর্ধমানের গলসি-২ ব্লকের ১৯ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির আসনে বিজেপির হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া কালিকারঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের প্রস্তাবক বিকাশ ঘোষ৷ আবার ওই ব্লকেরই গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রার্থী আশিস চট্টোপাধ্যায়েরও প্রস্তাবক তিনিই৷ একই ব্যক্তি ঘাসফুল প্রতীক ও পদ্মফুল প্রতীকের দুই প্রার্থীর প্রস্তাবক হওয়া নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে৷
এই ঘটনা কী তৃণমূলের কৌশল? না কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের? তা অবশ্য স্পষ্ট হয়নি৷ কেউ বলছেন, পঞ্চায়েত সমিতির ওই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী সুজন মণ্ডলকে চাপে রাখতেই বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়নে প্রস্তাবক হয়েছেন বিকাশবাবু৷ গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে সুজনবাবু না কি কয়েকজনের বিরুদ্ধে গোঁজ দাঁড় করিয়েছেন৷ তারই পালটা হিসেবে বিজেপি প্রার্থীর প্রস্তাবক হয়েছেন বিকাশ৷ আবার কেউ বলছেন, তৃণমূল কৌশল করেই বিজেপি প্রার্থীর প্রস্তাবক হিসেবে নিজের লোককেই রেখেছে৷ যাতে একি ব্যক্তি দু’জনের প্রস্তাবক হলে একটি মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়৷
এই ব্যাপারে পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল প্রার্থী সুজনবাবু বলেন, “একই ব্যক্তি দুই জনের প্রস্তাবক হতে পারেন না৷ মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে৷ বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলও হয়েছে৷’’ তবে, বিকাশবাবু কেন দুই জনের প্রস্তাবক হলেন? তার কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি সুজনবাবু। তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত হচ্ছিল। দলেরই একাংশ গোঁজ প্রার্থী দিয়েছিল। এছাড়া বিরোধী দলগুলিরও প্রার্থী রয়েছে। বিকাশবাবুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এপ্রসঙ্গে বিজেপির এক জেলা নেতা এই প্রসঙ্গে বলেন, “সঠিকভাবে কী ঘটেছে এখনই বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।”
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক