মালিকানাহীন বাড়ি দখল করে দলীয় কার্যালয় করেছিল তৃণমূল। তা নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগও ছিল। কিন্তু কর্ণপাত করেনি। পালাবদল হতেই এবার সেই বাড়িতেই শুরু হল অঙ্গনওয়াড়ি। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়িটির মালিক জয়ন্ত চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী। দম্পতির মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন ধরেই বাড়িটি ফাঁকা পড়ে ছিল। কোনও উত্তরাধিকার না থাকায় সম্পত্তিটি কার্যত দেখভালের বাইরে ছিল বলেই দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগ, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর সেখানে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় গড়ে ওঠে। নিয়মিত বৈঠক ও সংগঠনের কাজ চলত ওই ঘরেই। এলাকার একাংশের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপ চলত। মদের আসর বসার অভিযোগও ওঠে। পাশাপাশি স্থানীয়দের দাবি, আগে সেখানে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
আরও পড়ুন:
পালাবদলের পর ছবিটা বদলালো। দলীয় কার্যালয় বন্ধ করে সেখানে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু করার উদ্যোগ নেয় বিজেপি। এতদিন পাশের একটি ক্লাবঘরে আইসিডিএস কেন্দ্র চলায় জায়গার সমস্যা ছিল। শনিবার থেকে নতুন ঘরে শুরু হয়েছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কাজ। বিজেপি কর্মী অনিন্দ্য ভদ্র বলেন, “নেতৃত্বের নির্দেশেই দলীয় কার্যালয় বন্ধ করে এখানে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।” স্থানীয় বাসিন্দা মিতা পালের কথায়, “আগেও চেষ্টা হয়েছিল। এবার কেন্দ্র চালু হওয়ায় ভালো লাগছে।” যদিও সমস্ত অভিযোগ খারিজ করেছে তৃণমূল। দত্তপুকুর ১ পঞ্চায়েতের শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের সঞ্চালক অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলেন, “অসামাজিক কাজের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ২০২৩ সাল থেকে বাড়িটি দলীয় কাজে ব্যবহার করা হত।”
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের