রাজা দাস, গঙ্গারামপুর: ভারতীয় দুই কৃষককে সীমান্ত এলাকা থেকে তুলে নিয়ে গেল বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শুক্রবার দুপুরে বালুরঘাটের গঙ্গারামপুরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের অনন্তপুর গ্রাম এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। অপহৃত দু’জনের নাম ফিলিপ সোরেন এবং অবিনাশ টুডু। দু’জনেই ওই এলাকার বাসিন্দা। এদিকে অপহরণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ওই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অপহৃত ভারতীয় কৃষকদের ফেরানোর জন্য রাতভর বিজিবির সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ে বসে বিএসএফ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, ওই দুই কৃষকের কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয় সীমান্তে চাষের জমি রয়েছে। অন্যদিনের মতো এদিনও তাঁরা ওই জমিতে কৃষিকাজের জন্য গিয়েছিলেন। সেচের কাজ করার পর ভারতীয় ভূখন্ডে একটি গাছের নিচে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তাঁরা। এসময় হঠাৎ বিজিপির কয়েকজন এসে ওই দুই কৃষকের মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।
এদিকে এই খবর পাওয়া মাত্র বিএসএফের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ওই এলাকায় এসে পৌঁছন। ভারতীয় কৃষকদের ফেরাতে বিজিবির সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ে বসেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, এদিন সকালেই ভারতীয় সীমান্তে চলে আসা এনামুল হক ও মাসুদ রানা নামে দুই বাংলাদেশিকে আটক করে বিএসএফ। তারই পালটা হিসাবে ভারতীয় সীমান্ত থেকে দুই ভারতীয় কৃষককে তুলে নিয়ে যায় বিজিবি।
বিজিবির হাতে অপহৃত ভারতীয় কৃষক অবিনাশ টুডুর স্ত্রী হীরাবালা বেসরা বলেন, “কাঁটাতারের ওপারে আমাদের জমি রয়েছে। প্রতিদিনের মতো এদিনও আমার স্বামী জমিতে গিয়েছিলেন সেচের কাজের জন্য। হঠাৎ করে বাংলাদেশিরা তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। রাত হলেও এখনও ছাড়েনি। খুব চিন্তায় রয়েছি।” একইভাবে চিন্তিত ফিলিপ সোরেনোর স্ত্রী সঞ্জিলা মুর্মু। তাঁর কথায়, “খেতের কাজ করে গাছতলায় বিশ্রাম নিচ্ছিল আমার স্বামী। তখনই বাংলাদেশের কয়েকজন এসে আমার স্বামী-সহ আরও একজনকে তুলে নিয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত তাঁরা বাংলাদেশে আটক রয়েছে। বিএসএফ ছাড়িয়ে আনার আশ্বাস দিয়েছে।”
সর্বশেষ খবর
-
অফিসের ২৫ জনকে পুলিশি হেনস্তা! ভয় দেখিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড, দাবি অভিষেকের
-
হোয়াটসঅ্যাপের পরে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল! ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে নোটিস কেন্দ্রের
-
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতান্তর! বৈঠকে প্রশ্ন একাধিক সাংসদের
-
অ্যাসিড হামলায় কড়া আইনের দাবি, সরব মহিলাদের ক্ষমতায়ন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
-
নীতি আয়োগের বৈঠককে সামনে রেখে বাংলার শিক্ষা খাতে বড়সড় রূপরেখা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু