Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
CAA

প্রশাসনের নির্দেশে এলাকায় বন্ধ ইন্টারনেট, পরিষেবা পেতে ভাগীরথীর ধারে ভিড়

রবিবার থেকে ৬ টি জেলায় বন্ধ ইন্টারনেট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯, ১৩:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯, ১৩:৪২

options
link
প্রশাসনের নির্দেশে এলাকায় বন্ধ ইন্টারনেট, পরিষেবা পেতে ভাগীরথীর ধারে ভিড় zoom
Advertisement

মণিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: দু’দিন ধরে বন্ধ ইন্টারনেট। কিন্তু অভ্যাসে রাশ টানা দায়। কোথায় গেলে ইন্টারনেট পাওয়া যাবে সেই প্রশ্ন ঘুরছে বাতাসে। বন্ধু মহলে একটাই জিজ্ঞাসা, ফোনে ফোনে আলোচনা, কোথায় গেলে নেট পাওয়া যাবে? উলুবেড়িয়া-সহ যে যে জেলায় নেট বন্ধ সেখানকার ছবিটা এরকমই।

এই পরিস্থিতিতে আচমকাই উলুবেড়িয়ায় হাওয়ার মতো খবর ছড়িয়ে পড়েছে, গঙ্গার তীরে নেট পাওয়া যাচ্ছে। ব্যস, আর যায় কোথায়। সদলবলে গঙ্গার ধারে দৌড়। তা সে দশ কিলোমিটারের বেশি রাস্তা পাড়ি দিতে হলেও অসুবিধা নেই। তাই কলেজ পড়ুয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের লোক সার দিয়ে বসে ভাগীরথীর তীরে। সেখানেই চলছে কলেজের বন্ধু বা প্রেমিকার সঙ্গে লাইভ চ্যাট। 

Advertisement

NRC, CAA –র প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ও শনিবার উত্তাল হয়ে উঠেছিল হাওড়ার বিভিন্ন অঞ্চল। উলুবেড়িয়ায় ভাঙচুর হয় রেল স্টেশন, ট্রেন। হাওড়ায় বাস ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নেয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট। ফলে সোমবার ও মঙ্গলবার ৪৮ ঘণ্টা ইন্টারনেট বন্ধ প্রায় গোটা জেলায়। এতে সাধারণ মানুষের তো সমস্যা হচ্ছেই। বিপাকে পড়েছে যুবক-যুবতী, পড়ুয়ারা। ভাগীরথীর এক দিকে হাওড়া, অন্য দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। গোটা হাওড়া জেলাজুড়ে বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ, বিভিন্ন জায়গায় চালু রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। বজবজের অপর পাড় উলুবেড়িয়া হওয়ায় সেখানে ভাগীরথীর তীরে ইন্টারনেট পাওয়া যাচ্ছে। তাই টিন এজার থেকে যুবকরাও ভিড় জমাচ্ছেন ভাগীরথীর তীরে।

[আরও পড়ুন: CAA’র প্রতিবাদের জেরে বাতিল ট্রেন, আটকে পড়া ছাত্রছাত্রীদের ফেরাল ‘দিদিকে বলো’]

উলুবেড়িয়ার একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র মানস মণ্ডল। তিনি বলেন, “খুবই সমস্যায় পড়েছি পরশু সন্ধে থেকে। পরীক্ষার মধ্যেই ইন্টারনেট বন্ধ। ফলে বিভিন্ন তথ্য ও কলেজের নির্দেশ জানাতে পারছিল না। শেষে জানতে পারলাম নদীর ধারে ইন্টারনেট পাওয়া যাচ্ছে। তাই ছুটে এলাম এখানে। এখানে ইন্টারনেট পাওয়ায় অনেক কিছু জানতে পারলাম।” তার বন্ধু সৌরভ মণ্ডলের বাড়ি মুর্শিদাবাদের কান্দি। তিনিও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র। সৌরভও একই কথা জানালেন। আসানসোলের বাসিন্দা তাপস রায়েরও একই মত। পাড় ধরে একটু এগোতেই দেখা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মহম্মদ আরিফের সঙ্গে। তিনি অবশ্য উলুবেড়িয়ার বাসিন্দা। তিনিও জানালেন, “বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছিল না। তাই ভাবলাম একটু নদীর ধারে গিয়ে সময় কাটাই। এসে দেখি ইন্টারনেট পরিষেবা পেয়ে গেলাম। সত্যিই ইন্টারনেট না থাকায় বেশ বিপাকে পড়েছিলাম।” প্রসঙ্গত, অশান্তি নিয়ন্ত্রণে আনতে রবিবার থেকেই ৬ টি জেলায় নেট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.