Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

স্ত্রীর চিকিৎসায় সর্বস্বান্ত, শিশুকন্যা-সহ আত্মহত্যার আবেদন স্বামীর

জেলাশাসকের দরবারে বসে গেলেন ধরনায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৭:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৭:৫২

options
link
স্ত্রীর চিকিৎসায় সর্বস্বান্ত, শিশুকন্যা-সহ আত্মহত্যার আবেদন স্বামীর zoom

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: গত চার বছর ধরে স্ত্রী আক্রান্ত ফুসফুসের অসুখে। তাঁর চিকিৎসা করতে গিয়ে জমানো সব টাকা শেষ। শেষ জমিজমাও। আয়ের উৎস একমাত্র দোকানটিও বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। কিন্তু হাল ফেরেনি। তাই এবার পাঁচ বছরের মেয়েকে নিয়ে আত্মহত্যার অনুমতি চাইলেন বীরভূমের দুবরাজপুরের পদুমা পঞ্চায়েতের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা সীমান্ত ঘোষ।

[‘ম্যাজিক গ্লাস’-এ চোখ রাখলেই ভাসছে নগ্ন ছবি, তাজ্জব পুলিশ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বছর পঁয়ত্রিশের সীমান্ত ঘোষের ছোট্ট সংসারে রয়েছেন স্ত্রী মীনা ঘোষ ও পাঁচ বছরের শিশুকন্যা। তবে গত কয়েক বছর ধরে মীনাদেবী ফুসফুসের জটিল অসুখে আক্রান্ত। জেলার ছোট-বড় নানা হাসপাতালে সময় সময় বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করানো হয়েছে। কিন্তু তাতে লাভ খুব একটা হচ্ছে না। কিছুটা ভাল থাকার পর ফের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে মীনাদেবীর। এভাবেই কেটে গিয়েছে গত চার-চারটি বছর। কিন্তু সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। ইতিমধ্যেই তাঁর চিকিৎসার জন্য জমানো টাকাপয়সা সব শেষ হয়ে গিয়েছে। ছিল সামান্য কিছু জমিজমা। তাও বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছেন সীমান্তবাবু। সর্বশেষ সংসার চালানোর একমাত্র আয়ের উৎস একটি মুদি দোকান ছিল। কিন্তু স্ত্রীকে বাঁচাতে সেই দোকানও বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

[এবার শহরের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে হানা ‘নীল তিমি’র, সিআইডির হস্তক্ষেপে শেষরক্ষা]

এখন সীমান্তবাবু বলতে গেলে প্রায় পথের ভিখারি। অভিযোগ, স্ত্রীর চিকিৎসা চালানোর জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্তাদের কাছে দফায় দফায় আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু মেলেনি কোনও উত্তর। এমনকী চিঠিগুলির প্রাপ্তিস্বীকারও করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহের প্রথমদিনই হাতে স্ত্রীর চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে বীরভূমের জেলাশাসককের দপ্তরের সামনে হাজির হন বীরভূমের বাসিন্দা। হাতে ছিল পাঁচ বছরের মেয়ে-সহ সীমান্তবাবুর আত্মহত্যার আবেদনপত্র। কিন্তু জেলাশাসক বিভিন্ন বৈঠকে ব্যস্ত থাকায় সীমান্তবাবুর সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। ফলে তিনি মেয়েকে নিয়ে জেলা প্রশাসনিক ভবনের দরজায় ধরনায় বসে যান।

পুলিশ কয়েকবার অনুরোধ করলেও উঠতে নারাজ ছিলেন তিনি। সীমান্তবাবুর একটিই দাবি, মাত্র একবারের জন্য দেখা করতে চান জেলাশাসকের সঙ্গে। সরাসরি তাঁর হাতেই তুলে দিতে চান আবেদনপত্রটি। সর্বস্বান্ত হয়ে মেয়েকে নিয়েই আত্মহত্যা করতে চান তিনি। এছাড়া আর কোনও উপায় নেই বলেই দাবি বীরভূমের বাসিন্দার।

[নারদ কাণ্ডে সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.