Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
আমফান

আমফানের পর দীর্ঘদিন পেরলেও স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ পরিষেবা, ক্ষোভে ফুঁসছে দেগঙ্গাবাসী

পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ আধিকারিকরাও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২০, ১৭:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২০, ১৭:৪৭

options
link
আমফানের পর দীর্ঘদিন পেরলেও স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ পরিষেবা, ক্ষোভে ফুঁসছে দেগঙ্গাবাসী zoom
Advertisement

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য: আমফানের পর সাতদিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখন বিদ্যুৎ পরিষেবা পাননি দেগঙ্গার গোসাইপুরের বাসিন্দাদের। সেই কারণেই শুক্রবার বিদ্যুতের দাবিতে দেগঙ্গা-হাড়োয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় পুলিশ আধিকারিকদেরও।

২০ মে তাণ্ডব চালিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় আমফান। লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্য। চারিপাশ কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। ভেঙে পড়েছে শতাব্দী প্রাচীন গাছ। উপড়ে পড়েছিল প্রায় সাড়ে চার লক্ষ বিদ্যুতের খুঁটি। যার জেরে গোটা রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা কার্যত ভেঙে পড়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি শুরু করা হয়েছিল মেরামতির কাজও। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হলেও এখনও বহু জায়গাই রয়েছে অন্ধকারে। জানা গিয়েছে, আমফান দাপট চালানোর পর থেকেই অন্ধকারে ডুবে দেগঙ্গার গোসাইপুরও। সেই কারণেই শুক্রবার ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। লাঠি, বাঁশ, টিন দিয়ে দেগঙ্গা-হাড়োয়া রোড অবরোধ করে তাঁরা। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ত্রাণ দিতে যাওয়ার পথে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে বাধা পুলিশের, বিক্ষোভে উত্তাল বারুইপুর]

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের ঘিরে চলে বিক্ষোভ। এরপরই দেগঙ্গা থানা আইসির নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও নিজেদের অবস্থানে অনড় তাঁরা। অবরোধকারীরা সাফ জানান যে, বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত জারি থাকবে বিক্ষোভ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও চলছে বিক্ষোভ।

[আরও পড়ুন: সাধারণের সঙ্গে মেশার আশঙ্কা, পরিযায়ীদের চিহ্নিত করতে বর্ধমানে ব্যবহার হবে ভোটের কালি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.