Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Hooghly

দামোদরের জলে ভেসেছে গ্রাম, সৎকারের জন্য নৌকায় শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হল মৃতদেহ!

বৃষ্টি কমলেও জলযন্ত্রণা এখনও কমেনি নিম্ন দামোদর উপত্যকায়। তবে পরিস্থিতি আগের থেকে উন্নতি হয়েছে। এদিকে বাধ্যর্কজনিত রোগে ভুগে মৃত্যু হয়েছিল বৃদ্ধের।

সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৯:৫০

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৯:৫০

options
link
দামোদরের জলে ভেসেছে গ্রাম, সৎকারের জন্য নৌকায় শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হল মৃতদেহ! zoom
নৌকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মৃতদেহ। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

বৃষ্টি কমলেও জলযন্ত্রণা এখনও কমেনি নিম্ন দামোদর উপত্যকায়। তবে পরিস্থিতি আগের থেকে উন্নতি হয়েছে। এদিকে বাধ্যর্কজনিত রোগে ভুগে মৃত্যু হয়েছিল বৃদ্ধের। চারদিক জলে ডুবে থাকায় মৃতদেহ কীভাবে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে? সেই দুশ্চিন্তা ছড়িয়েছিল পরিবারের সদস্যদের। শেষপর্যন্ত নৌকা করেই ওই বৃদ্ধের মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। জলযন্ত্রণার মধ্যেই শেষবিদায় জানাতে হল তাঁকে। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির জাঙ্গিপাড়ায়।

নিম্নচাপের প্রবল বৃষ্টিতে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকা ভেসেছে। ঝাড়খণ্ডে প্রবল বৃষ্টিতে সেখান থেকে প্রবল জলরাশি এসেছে। বাধ্য হয়ে জল ছাড়তে হয় ডিভিসিকে। নিম্ন দামোদর উপত্যকার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়। হাওড়া ও হুগলির বিস্তীর্ণ এলাকা জলে ভাসছে। মাঠ-ঘাট জলে ভেসেছে। অনেক এলাকায় ঘরবাড়িতেও জল ঢুকে গিয়েছে। হুগলির জাঙ্গিপাড়ার শোনপুরের একাধিক এলাকা জলে ডুবে রয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন বৃদ্ধ অজিত মাঝি। বার্ধক্যজনিত রোগে ভোগার পরে এদিন তিনি মারা গিয়েছেন। শোকগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু শোকের মধ্যেও দুশ্চিন্তা ছড়িয়েছিল, কীভাবে মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে? দামোদরের পাড়েই শ্মশান। ওই এলাকায় পাকা রাস্তা রয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে গোটা এলাকাই ডুবে। বাড়িতে একটি নৌকা রয়েছে। সেই নৌকাতেই মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা। শেষপর্যন্ত নৌকা করেই মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় দাহ করার জন্য। চোখের জলে শেষ বিদায় দেওয়া হয় অজিত মাঝিকে। দাহের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠও নিয়ে যাওয়া হয় এলাকা থেকেই।

মৃতের আত্মীয় রঞ্জনা মাঝি জানিয়েছেন, “কাকা শ্বশুর আজ সকালেই মারা গিয়েছেন। নদীর ধারেই শ্মশান। চারদিক জলে ডুবে থাকায় নৌকাতেই মৃতদেহ নিয়ে যেতে হল।” অজিত মাঝির নাতনি বলেন, “এলাকায় পাকা রাস্তা থাকলেও সব কিছু এখন জলের তলায়। বাধ্য জয়ে এভাবেই দাদুকে বিদায় দিতে হল।” গতকাল পর্যন্ত হাওড়া ও হুগলির জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়েছে। এদিন জল কিছুটা কমেছে বলে খবর। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাশন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.