Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
পৌষমেলা

পরিচালনার দায়িত্ব নিতে নারাজ বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ, অনিশ্চিত পৌষমেলা

মেলা না হলেও, পৌষ উৎসব হবে বলেই জানিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০১৯, ১০:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০১৯, ১০:৩১

options
link
পরিচালনার দায়িত্ব নিতে নারাজ বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ, অনিশ্চিত পৌষমেলা zoom

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: পৌষমেলা পরিচালনার দ্বায়িত্ব নেবে না বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। কিন্তু পৌষ উৎসব হবে। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এদিকে শান্তিনিকেতন ট্রাস্টও জানিয়ে দিয়েছে তারাও মেলা পরিচালনা করতে পারবে না। এর ফলে এবছর থেকে অনিশ্চিত শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা। বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন অধ্যাপক, আধিকারিক, কর্মী এবং শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সদস্যরা।

[ আরও পড়ুন: সকাল থেকে মেঘলা আকাশ, দক্ষিণবঙ্গে শুরু প্রাকবর্ষার বৃষ্টি]

১৮৮৮ সালে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট তৈরি করেন। মেলা শুরু হয় ১৮৯৪ সালের ৭ই পৌষ মন্দির উদ্বোধনের দিন। সেদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে মন্দিরের পাশে পুরনো মাঠে মেলা বসেছিল। তখন মেলা ছিল একদিনের। ১৯২১ সালে মেলা হয় ২ দিন৷ পরে ১৯৬১ সালে পৌষমেলা স্থানান্তরিত হয় পূর্বপল্লি মাঠে এবং তিন দিন করা হয়। ট্রাস্টের ডিড অনুসারে মেলার খরচ বহন করে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। মঙ্গলবার শান্তিনিকেতনের লিপিকা গৃহে পৌষ মেলা কমিটি, শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সদস্য, অধ্যাপক, আধিকারক এবং কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বৈঠকে মূলত পৌষ মেলা বিশ্বভারতী পরিচালনা করবে কিনা তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিন শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের পক্ষ থেকে কলিকারঞ্জন চট্টপাধ্যায় ট্রাস্টের চেয়ারম্যান পদ নিতে অনুরোধ করলে উপাচার্য জানিয়ে দেন, তিনি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হবেন না। বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন উপাচার্য বলেন, শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের ডিড অনুসারে পৌষ মেলা পরিচালনা করার দ্বায়িত্ব ট্রাস্টের। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: থানায় গিয়ে যুবক পিটিয়েছিলেন, জেলাশাসক পদে বহাল সেই নিখিল নির্মলই]

সম্প্রতি পৌষমেলাতে ব্যাপক দূষণ হচ্ছে এবং বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ দূষণ রোধে কোন কার্যকারী ভূমিকা নিচ্ছে না বলে পরিবেশ আদালতে মামলা করেছেন পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত। সেই মামলা লড়তে হবে সুপ্রিম কোর্টে,  মামলায় যুক্ত করা হয়েছে বিশ্বভারতীর উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারকেও।বিশ্বভারতীর পক্ষে এই মামলা লড়তে হলে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ হবে। বর্তমানে বিশ্বভারতীর আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এই মামলা লড়া সম্ভব নয়। একইভাবে মেলা পরিচালনায় বিশ্বভারতীর সরাসরি কোন ভূমিকা নেই। এক্ষেত্রে ট্রাস্ট যদি চায় তারা মেলা করবে না হলে বন্ধ হয়ে যাবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পৌষ মেলা না হলেও পৌষ উৎসব হবে। ৭-৯ পৌষ উপাসনা, পরলোকগত আশ্রমিকদের স্মরণ, মহর্ষি স্মারক বক্তৃতা,  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন, সমাবর্তন এবং খ্রিষ্টোৎসব অনুষ্ঠান পালিত হবে। সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়েছে পরিবেশ আদালত-সহ দেশের সংশ্লিষ্ট সব মান্য প্রতিষ্ঠানের পালনীয় শর্তাবলী পূরণ করে এই বিপুল আয়তনে মেলা পরিচালনা করার মতো পরিকাঠামো বিশ্বভারতীর মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই। এর জন্য কর্তৃপক্ষ দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.