BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

রাজ্যে সুস্থ হওয়ার হার ৫০ শতাংশেরও বেশি, ২৪ ঘণ্টায় করোনার বিরুদ্ধে জয়ী ৫৩৪ জন

Published by: Sulaya Singha |    Posted: June 16, 2020 7:40 pm|    Updated: June 16, 2020 7:46 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধীরে ধীরে কি স্বাভাবিক হচ্ছে বাংলা? করোনার চোখ রাঙানিকে বিরুদ্ধে গর্জে উঠছে রাজ্যবাসী? স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যানের পর অন্তত এসব প্রশ্নের উত্তর খানিকটা ইতিবাচকই বলা চলে। কারণ পরপর তিনদিন রাজ্যে করোনায় (Coronavirus) আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ হওয়ার সংখ্যা বেশি। শুধু তাই নয়, প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা। তবে হ্যাঁ, সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না কোনওভাবেই।

সোমবারও আক্রান্তের সংখ্যা ছিল চারশোর বেশি। এদিনও রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১৫ জন। অর্থাৎ সংক্রমিতের সংখ্যা উর্ধ্বগামী। বর্তমানে রাজ্যে মোট সংক্রমিত ১১ হাজার ৯০৯ জন। তবে স্বস্তির ব্যাপার হল, রোজই কমছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় -১২১টি অ্যাকটিভ কেস কমায় বর্তমানে রাজ্যে করোনা অ্যাকটিভ ৫,৩৮৬ জন। কিন্তু কলকাতাবাসীর উদ্বেগ যেন বেড়েই চলেছে। একদিনে এ শহরে আক্রান্ত ১৭০ জন। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ৩,৯৪৬ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩০০। ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি চারজন। মোট মৃতের সংখ্যা ৩০১।

[আরও পড়ুন: করোনা আবহে উচ্চমাধ্যমিক হলে বিপদ, রাজ্যকে বিবেচনার আরজি শিক্ষা মহলের]

এদিকে রাজ্যে সংক্রমিতের তুলনায় এদিনও করোনাজয়ীদের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। ২৪ ঘণ্টায় ৫৩৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ হাজার ২৮ জন। ৫০.৬১ শতাংশ COVID-19 রোগী এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। করোনার দাপট উপেক্ষা করেই কাজে বেরতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার তাগিদ বঙ্গবাসীর। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের বাড়তে থাকা করোনাজয়ীদের সংখ্যাই যেন সাহস জোগাচ্ছে ঘুরে দাঁড়ানোর।

তবে সুস্থতার সংখ্যা বাড়লেও আগের মতোই করোনা প্রাণও কেড়ে চলেছে বঙ্গবাসীর। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার বলি ১০ জন। স্বাস্থ্যদপ্তর নয়া তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৪৯৫ জন COVID-19 রোগীর মৃত্যু হয়েছে। 

[আরও পড়ুন: ফুলশয্যায় থাবা বসিয়েছিল করোনা, হাসপাতালে ফের মালাবদল করোনাজয়ীর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement