Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Migrants

পরিযায়ী সমস্যা মােকাবিলায় রাজ্যের একগুচ্ছ প্রকল্প, ভোটবাক্সে সুবিধা পাবে তৃণমূল?

সাড়ে ন’বছরে রাজ্যের প্রায় ১.৩৬ কোটি মানুষ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পে নিযুক্ত হয়েছে দাবি তৃণমূলের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২১, ১৫:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২১, ১৫:০৩

options
link
পরিযায়ী সমস্যা মােকাবিলায় রাজ্যের একগুচ্ছ প্রকল্প, ভোটবাক্সে সুবিধা পাবে তৃণমূল? zoom
Advertisement

মলয় কুণ্ডু: রাজ্যের বৃহৎ অংশের মানুষের রুজি–রুটি যুক্ত যে পেশায়, সেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিরাট সংখ্যক ভোটার। করোনা এবং লকডাউন পরবর্তী সময়ে এই ক্ষেত্রে প্রভাব পড়েছে যথেষ্টই। বিশেষ করে লকডাউনের জেরে ভিনরাজ্য থেকে এ রাজ্যে ফিরে আসা মানুষের একটা বিরাট চাপ পড়েছে ছোট শিল্পে। রাজ্যের ভোটে (WB assembly polls) সেই হাওয়া কোনদিকে বইবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল কার্যত দু’ভাগ। একপক্ষের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের নেওয়া একাধিক প্রকল্পের সুফল ভোট টেনে আনবে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। অন্যপক্ষের সোজা যুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নতি না হওয়ার জেরেই তো পরিযায়ী (Migrants) হতে বাধ্য হন রাজ্যের শ্রমিকরা।

সাড়ে ন’বছরে রাজ্যের প্রায় ১.৩৬ কোটি মানুষ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পে নিযুক্ত হয়েছে। ফলে রাজ্য থেকে শিল্প উৎপাদন ও রপ্তানি বেড়েছে বলে দাবি শাসকদলের। বাজেটে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য দেওয়া হয়েছে, গত ন’বছরে এমএসএমই–তে ১১ শতাংশ হারে চক্রবৃদ্ধি হিসাবে বেড়েছে। করোনার প্রভাবও তেমনভাবে ক্ষতি করতে পারেনি এই ক্ষেত্রে। রাজ্য সরকার ‘কর্মসাথী’ নামে একটি প্রকল্প চালু করে। এই ভরতুকিপ্রাপ্ত স্বনির্ভর প্রকল্পে রাজ্যের সাধারণ শ্রমিকদের পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিকদেরও কাজের ব্যবস্থা করার লক্ষ্য নেওয়া হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘২০১৪ থেকে চোখে চোখে, কানে কানে কথা হতো’, নাম না করে শুভেন্দুকে তীব্র শ্লেষ মমতার]

এছাড়াও চালু হতে চলেছে ‘বাংলাশ্রী’ নামে আরও একটি প্রকল্প। স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও তাঁত শিল্পীদের উৎসাহ ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। নিজস্ব জমিতে শিল্পতালুক বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে তোলার বিষয়ে উৎসাহ দিতে বিশেষ ভাতাও দিচ্ছে। সিঙ্গুরে ১১ একর জমিতে কৃষি নির্ভর কাজের জন্য ‘অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক’ ও মেদিনীপুরে ‘খাসজঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট’ তৈরি করেছে রাজ্য সরকার।

গ্রামীণ শিল্প বিকাশের লক্ষ্য শিল্প ও সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ইউনেস্কোর সঙ্গে চুক্তিও সারা। এর মাধ্যমে গ্রামীণ অঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার শিল্পী তাঁদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করতে পারবেন। কোভিডের সুরক্ষার জন্য মাস্ক, পিপিই কিট, স্যানিটাইজার তৈরি করেছে ‘তন্তুজ’। এছাড়াও চর্মশিল্পকে আরও অত্যাধুনিক করে তুলতে মেগা লেদার ক্লাস্টার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই সব ক’টি ক্ষেত্রেই নতুন আরও কর্মসংস্থান হবে। সেই দিকেই তাকিয়ে ভোটের বাক্সে তাঁদের মত জানাবেন ভোটাররা।

[আরও পড়ুন : ‘হোয়াটসঅ্যাপেই বিপ্লব করেন, মানুষের কথা ভাবেন না’, মোদিকে খোঁচা অভিষেকের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.