Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘১০ বছর দলের খেয়ে ভোটের সময় অন্যদের সঙ্গে বোঝাপড়া করলে মানব না’, তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

নাম না করে শুভেন্দুকে খোঁচা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২০, ২২:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২০, ২২:৫৪

options
link
‘১০ বছর দলের খেয়ে ভোটের সময় অন্যদের সঙ্গে বোঝাপড়া করলে মানব না’, তোপ মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একুশের নির্বাচনের আগে বঙ্গজুড়ে দলবদলের হাওয়ায় ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে রাজ্য-রাজনীতি। তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে গেরুয়া শিবিরেই নাম লেখানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এমন পরিস্থিতিতে নাম না করে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। জানিয়ে দিলেন, এতদিন পার্টি করার পর ভোটের আগে অন্যদের সঙ্গে বোঝাপড়া করা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে  মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানান, “১০ বছর ধরে পার্টির হয়ে খেয়ে, সরকারে থেকে সরকারের সবটা খেয়ে ভোটের সময় এর সঙ্গে ওর সঙ্গে বোঝাপড়া করলে কিন্তু কিছুতেই আমি মেনে নেব না, এটা মনে রাখবেন।” এরপরই দলের ‘বেসুরো’ নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের উদ্দেশে যেন বার্তা দিলেন, “এই ১০ বছর ৩৬৫ দিন যাঁরা মানুষের সঙ্গে ছিলেন, তাঁদেরই পরীক্ষা দিতে হবে। আর এমন পরীক্ষা দেবেন যাতে বিজেপি পরীক্ষা দিতে বসতেই না পারে। আর সিপিএম এবং কংগ্রেস বিজেপির হয়ে দালালি করতে না পারে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের মধ্যেই রদবদল! শিলিগুড়ির কমিশনার পদে ‘আস্থাভাজন’ ডিপি সিং]

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই শুভেন্দুর বিজেপিতে যোগ নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। এমনও শোনা যাচ্ছে, আগামী ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুর কলেজ ময়দানে অমিত শাহর (Amit Shah) জনসভাতেই গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু শুভেন্দুই নন, নির্বাচনের আগে একাধিক নেতা-মন্ত্রীর গলাতেই উলটো সুর। প্রকাশ্যে আসছে দলীয় কোন্দলও। আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি থেকে হাওড়ার তৃণমূল নেতা বাণী সিংহ রায়, প্রত্যেকেই দলের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। এমন পরিস্থিতিতে জলপাইগুড়ি থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এভাবেই তিনি যেন বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, এতদিন দলে থাকার পর এমন ‘উলটো’ আচরণ মেনে নেওয়া হবে না। পাশাপাশি দলের বাকিদের ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াইয়ের বার্তাও দিয়ে রাখলেন মমতা। 

[আরও পড়ুন: রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ২৬ হাজার, কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত পাঁচশোরও বেশি

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.