সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাওড়া, ডালখোলার পর রিষড়া। রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উত্তেজনা। পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান থেকে হিংসা নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
আগামী ৬ এপ্রিল হনুমান জয়ন্তী। রামনবমীর পর তাতেও অশান্তি রুখতে আগাম সতর্কতা জারি করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আমি প্রশাসন ও আমাদের ছেলে মেয়েদের বলছি ৬ তারিখ সতর্ক থাকবেন। আমরা বজরংবলীকে সবাই সম্মান করি। কিন্তু তা নিয়ে কোনও হিংসা যেন না হয়।” যেকোনও ধরনের অশান্তি রুখতে যুবসমাজকে এগিয়ে আসারও বার্তা দেন তিনি।
[আরও পড়ুন: ‘দেখলে মনে হয় পাক্কা বৈষ্ণব, আদতে ভণ্ড’, এবার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নিশানায় সুজন]
অশান্তির নেপথ্যে বিজেপির যোগসাজশের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বিজেপির আমলে দেখছি পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলা হচ্ছে। রমজান মাসের রোজা চলছে, অন্নপূর্ণা পুজো রয়েছে। সেখানে রামনবমীর মিছিল পাঁচ দিন ধরে হবে কেন? রামনবমীর দিন মিছিল করলে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু বন্দুক নিয়ে মিছিল কেন করা হচ্ছে। অনুমতি না দেওয়া সত্ত্বেও ইচ্ছা করে সংখ্যালঘু এলাকা ঢুকে যাচ্ছে।”
রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে হাওড়া, হুগলি, ডালখোলা কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। সরকারি সম্পত্তিও ভাঙচুর হয়। সেকথা উল্লেখ করে বিক্ষোভকারীদের কড়া বার্তা দেন মমতা। বলেন, “বিজেপির থেকে টাকা খেয়ে অনেকে রাস্তা ভাঙছেন। রাস্তা তৈরি করতে অনেক টাকা লাগে, তা ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। একটা আইন রয়েছে, যাঁরা সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করছেন, তাঁদের সম্পত্তি সরকার নিয়ে নেবে। সেই সম্পত্তি নিলামে তুলে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।” এদিনের সভামঞ্চ থেকে একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্র সরকারকে তুলোধনা করেন মমতা।
[আরও পড়ুন: গরম থেকে বাঁচতে আজব উপায় সাধুর! ভিডিও দেখে মুগ্ধ অমিতাভ বচ্চন]
সর্বশেষ খবর
-
বেসরকারি স্কুলের সিকরুমে কন্ডোম! উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, কাঁচরাপাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য
-
আইএসএল জয় উদযাপন, শহরে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ইস্টবেঙ্গল উত্তরাধিকার’ সমষ্টির
-
বাড়ির আইনি দখল নিতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ, হাসপাতালে তালতলার এস আই
-
‘মহান প্রধানমন্ত্রী, জ্ঞানী ব্যক্তি’, ‘দীর্ঘতম’ সময়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ‘বন্ধু’ মোদিকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের
-
বন্ধ ‘থ্রেট কালচার’, অভয়া কাণ্ডে যুক্তদের সাজা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আর কী অঙ্গীকার শারদ্বতের?