Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
দিদিকে বলো

‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে বিরোধীদের ডেকে মতামত শুনলেন রাজ্যের মন্ত্রী

রীতিমতো চিঠি পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানায় তৃণমূল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯, ১৯:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯, ১৯:৩৯

options
link
‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে বিরোধীদের ডেকে মতামত শুনলেন রাজ্যের মন্ত্রী zoom
Advertisement

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে বিরোধীদের আমন্ত্রণ করে তাদের মতামত শুনলেন মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো। পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর বলরামপুর বিধানসভা এলাকার পুরুলিয়া এক নম্বর ব্লকের লাগদা গ্রামে ওই কর্মসূচিতে বৈঠকের মধ্য দিয়ে বিরোধীদের মতামত শোনেন।

লাগদা অঞ্চল তৃণমূলের এমন উদ্যোগে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি আক্ষরিক অর্থেই সর্বস্তরের হয়ে ওঠে। ফলে এই কর্মসূচি ওই এলাকায় সকলের মন কেড়ে নেয়। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ মন্ত্রীর সামনে উগরে দিয়ে আম জনতা যেন শেষমেশ সন্তোষ প্রকাশ করেন। এদিন লাগদা অঞ্চল তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব বিরোধীদের রীতিমতো চিঠি পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানায়। মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো বলেন, “আমরা সকলের কথা শুনেছি। এলাকার উন্নয়নের জন্য আমরা বিরোধীদেরও মতামত নিয়েছি। সেইসব মতামত নিয়েই এলাকার উন্নয়নে কাজ হবে।”

Advertisement

গত পঞ্চায়েত থেকে লোকসভা ভোটে মন্ত্রীর এই বলরামপুর বিধানসভায় ভরাডুবি হয় শাসকদলের। তারপরেই আম জনতার মন জিততে ‘দিদিকে বলো’র মতো দলীয় কর্মসূচিতেও রীতিমতো প্যান্ডেল করে, চিঠি দিয়ে বৈঠক ডেকে বিরোধীদের কথা শুনলেন স্বয়ং মন্ত্রী। তবে সরকারি কাজ নিয়ে দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা নানান অভিযোগ শুনে বিরোধী-সহ আম জনতার মাঝে খানিকটা অস্বস্তিতেই পড়তে হয় মন্ত্রীকে। অধিকাংশ সাধারণ মানুষজন সহ বিরোধীরা বলেন, যাদের বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি দরকার তাদের বাড়ি হয়নি। অথচ যারা ধনী তাদের বাড়ি হয়েছে। একই অভিযোগ ওঠে সরকারি পেনশেনের ক্ষেত্রে। এমনকি এই এলাকায় বহু দরিদ্র মানুষ রয়েছেন যাদের রেশন কার্ড পর্যন্ত নেই।

তাছাড়া লাগদা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল দশাও তারা তুলে ধরেন। ওই দিন মন্ত্রী বৈঠকের মাধ্যমে সকলের অভাব-অভিযোগ, মতামত-পরামর্শ ছাড়াও বাড়ি-বাড়ি গিয়েও সমস্যার কথা শোনেন। রাতে বুবাই ঘোষাল নামে এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে খিঁচুড়ি-সবজি দিয়ে আহার সারেন তিনি। রবিবার সকালে ওই গ্রামে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শেষ করেন। এই কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের দুই জেলা সহ-সভাপতি মানিকমণি মুখোপাধ্যায়, রথীন্দ্রনাথ মাহাতো ও পুরুলিয়া জেলা পরিষদের শিশু, নারী উন্নয়ন, ত্রাণ ও জনকল্যাণ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ নিয়তি মাহাতো।

ছবি: সুনীতা সিং

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.