স্টাফ রিপোর্টার: দাম্পত্য কলহ, শরিকি বিবাদ, ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া। কিংবা শাশুড়ি-বউমার ঝামেলা। এমন নানা সমস্যায় প্রতিদিন প্রতিপ্রান্তে বিভিন্ন যৌথ পরিবার ভেঙে খানখান। বর্তমান সমাজে আদর্শ ‘সুখী পরিবার’ খুঁজে পাওয়াই যে দুষ্কর! এমতাবস্থায় পরিবারকে সুখী করার বার্তা নিয়ে পঞ্চায়েত ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছেন কিছু প্রার্থী। ওই নির্দলদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ‘সুখী পরিবার’প্রতীক। তাতে দেখা যাচ্ছে বাবা, মা, দুই সন্তানের একত্র অবস্থান। কমিশনের আধিকারিকদের কথায়, বর্তমান সমাজে এই প্রতীক যথেষ্ট অর্থবহ। প্রার্থীরা এই চিহ্ন বাছলে সমাজে তাঁরা একটা ভাল বার্তাও দিতে পারবেন। মনে করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের মনে জায়গা পেতে পারে এই প্রতীক। ফলে নির্বাচনে ভাল ফলাফল করতে পারেন নির্দল প্রার্থীও।
কমিশনসূত্রে খবর, ১৬১৪৭ জন নির্দল প্রার্থী এবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। তাঁদের জন্য ৩০টি চিহ্ন রয়েছে। ২৯ নম্বরে রয়েছে সুখী পরিবার। এছাড়া রেডিও, আলমারি, তীর ধনুক, থেকে শুরু করে কলাগাছ, নৌকা, সাইকেল ভ্যান, সবই রয়েছে। প্রতীকে রয়েছে শৌচালয়ের প্যানও। গ্রামের দিকে শৌচালয়ের বিষয়টি এখনও ওনেক জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। রাজনৈতিকমহলের ধারণা হতে পারে সেই কারণেই ভেবেচিন্তে এই প্রতীক রেখেছে নির্বাচন কমিশন। তবে দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে এই চিহ্ন যে রসবোধের সঞ্চার করবে তা একবাক্যে মানছেন সবাই। কেউ কেউ বলছেন, এটা বলতে বা লিখতে অস্বস্তি হলেও ব্যাপারটা বাস্তব। যে গ্রামে এটি জ্বলন্ত ইস্যু সেখানে নিশ্চিতভাবেই মানুষকে ছুঁয়ে যাবে এই প্রতীক। তালিকার ২৭ নম্বরে রয়েছে শৌচালয়ের প্যানের ছবি। এই প্রতীকই হয়তো নির্দল প্রার্থীকে বেশি প্রচার দেবে।
[আরও পড়ুন: একা বৃদ্ধকে বেঁধে রেখে বাড়িতে লুঠ গাড়ি চালকের, উপস্থিত বুদ্ধির জেরে পাকড়াও দুষ্কৃতী]
তবে এবারের ভোটে নির্দল প্রার্থীদের জোড়া পাতা চিহ্নটি নেই। রয়েছে সাইকেল রিকশা, বাইসাইকেল, বটগাছ, নারকেল গাছ, আম, কাঁঠাল, হ্যান্ড পাম্প, চেয়ার, টেবিল, টেবিল ফ্যান, মই, বৈদ্যুতিক বাতি, পেন ও কালির দোয়াত, ফুটবল খেলায়াড় একদল মহিলা, বাচ্চা মেয়ে ইত্যাদি। মনোনয়নপত্র জমা পড়ে গিয়েছে। দেখা যাচ্ছে, ১৬১৪৭ জন নির্দল প্রার্থী হয়েছেন। প্রত্যেক প্রার্থী ৩০ টি চিহ্নের মধ্যে যে কোনও একটি বেছে নেবেন। তারপরই শুরু হয়ে যাবে দেওয়াল লিখন ও প্রচার। কমিশনের কর্তাদের কথায়, যেহেতু নির্দল প্রার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয় তেমন ভাবে থাকে না। অনেকক্ষেত্রে একটু অন্য ধরনের চিহ্ন হলে তাতে প্রার্থীর প্রচার এবং পরিচিতি বাড়াতে অনেকটা সুবিধা হয়।
[আরও পড়ুন: ব্যস্ততার মাঝে তড়িঘড়ি কাজ নয়, এখন থেকেই জগদ্ধাত্রী নির্মাণে ব্যস্ত চন্দননগরের শিল্পীরা]
সর্বশেষ খবর
-
‘মাওবাদী মুক্ত’ ছত্তিশগড়ে পুরভোটে এগিয়ে বিজেপি, সমান টক্কর দিয়ে প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত কংগ্রেসেরও
-
মাদ্রাসার আড়ালে বেআইনি কার্যকলাপ নয় তো? খুঁটিনাটি জানতে চেয়ে জেলাশাসকদের ‘ডেডলাইন’ নবান্নের
-
স্বপ্নের উড়ানে ‘আরোহণ ২০২৬’, মেধাকে স্বীকৃতি জানাল ডিসান হসপিটাল
-
সরকারি বালতিও চুরি! শ্রীরামপুরে গ্রেপ্তার ২ তৃণমূল নেতা
-
কাঁচামালের তীব্র সংকট! নৈহাটির জুটমিলে ‘সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক’, বিপাকে হাজার শ্রমিক