রূপায়ন গঙ্গোপাধ্যায়: প্রচারের পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিরাপত্তার বিষয়টিকে সামনে রেখে আদালতে যাওয়ার রাস্তাও খোলা রাখল বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ শনিবার জানালেন, “আইনের পথে যাওয়ার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। কোন আইনজীবীকে দিয়ে মামলা করানো হবে সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে।” দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহারও বক্তব্য, সোমবার আদালতে যাচ্ছে বিজেপি। ১৪ মে ভোট বাতিল করে তিনদফায় ভোট করতে হবে।
[ভোটের আগেই বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ দখল তৃণমূলের]
পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফের আদালতে যাওয়া হবে কি না তা নিয়ে গত তিনদিন ধরে আলোচনা চলছিল গেরুয়া শিবিরে। সিপিএম-কংগ্রেসের মতো তাঁরাও কোর্টে যাবেন কি না তা নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তির মধ্যেই ছিলেন বিজেপি নেতারা। ফের হাই কোর্টে গেলে বিজেপি ভোট পিছিয়ে দিতে চাইছে বলে প্রচার হতে পারে, তাই মামলার পথে যাওয়া হবে কি না তা নিয়ে কিছুটা ধন্দে ছিলেন সকলে। শনিবার ফের বৈঠকে বসেন রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়রা। আইনজ্ঞদের সঙ্গেও আলোচনা হয়। ওই বৈঠক প্রসঙ্গে পরে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমরা আলোচনা করে মামলা করার পক্ষেই সকলে একমত হয়েছি।” তবে দলীয় সূত্রে খবর, একাংশ এখনও মামলা না করার পক্ষেই। সেই অংশের যুক্তি, সিপিএম-কংগ্রেস মামলা করুক। কিন্তু বিজেপি প্রচারে নেমে পড়েছে। এই অবস্থায় মামলা করে ভোট পিছিয়ে গেলে সেটা বিজেপির পক্ষে লাভবান নাও হতে পারে। ফলে আইনের পথে যাওয়া নিয়ে দলের মধ্যে এদিনও একটা মতানৈক্য রয়েছে বলে খবর। যদিও দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, সকলে একমত হয়েই হাই কোর্টে যাওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। মামলা করার পক্ষে দিলীপ ঘোষের যুক্তি, একদফায় নির্বাচন। কমিশন নিরাপত্তার বিষয়ে কিছুই জানাতে পারছে না। বাইরের রাজ্য থেকে বাহিনী আনা হবে এসব গল্প শোনানো হচ্ছে। কাজেই ভোটারদের সুরক্ষার জন্য আদালতের পথে যাওয়ার কথাই ভেবেছি আমরা। রাহুল সিনহা এদিন প্রকাশ্য সভাতেই জানান, “তিনদিন ভোটের কথা আগে বলে মনোনয়নপর্ব শেষ হওয়ার পর হঠাৎ করে একদিনের নির্বাচন কী করে ঘোষণা করা হল। এটা অবৈধ।”
[ছড়া কেটে প্রচার, দেওয়াল লিখনে কাঁকসায় তৃণমূলের ভরসা শিক্ষক নিরুপম]
শনিবার শ্যামবাজারে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মহিলা মোর্চার কর্মসূচিতে গিয়ে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বিজেপি নেতৃত্ব। দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘রাজ্যে আইনের শাসন বলে কিছু নেই। তৃণমূলের মহাবলী-বাহুবলীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাংলায় আর একটা মহাভারত চাই। দুর্যোধন-দুঃশাসনদের আটকাতে হবে।পরিবর্তন আনতে হবে।’ দিলীপবাবুর দাবি, সিপিএম আন্দোলন ছেড়ে শুধু কোর্টে থাকলেও বিজেপি কোর্ট থেকে বুথ সর্বত্রই আছে। রাহুল সিনহা বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষায় বিজেপির লাগাতার আন্দোলন চলবে।’ রাহুলবাবুর দাবি, শেখ দিলদারের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে সংখ্যালঘু কমিশনের সদস্যরা গিয়েছিল। কমিশনের এক সদস্যের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। সেই সদস্য বলেছেন, দিলদারের পরিবারকে খোলামেলা কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। পরিবারের উপর চাপ রয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
তহবিল ‘দখলে’ সুপ্রিম কোর্টে ঋতব্রত শিবির! কেম্যান-যোগে অভিষেকের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি
-
তীর্থে যাওয়া হল না, মাঝপথে ট্রাকে ধাক্কা গাড়ির, মধ্যপ্রদেশে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু
-
বারুইপুর ধর্ষণকাণ্ডে গণপিটুনিতে উসকানি! শ্রীলেখার বিরুদ্ধে এফআইআর বিজেপি নেতার
-
ইরানের পরমাণু ঘঁটিতে গোলাবর্ষণ আমেরিকার! ছড়াবে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ?
-
১৫৮ বছর পর হিমালয়ের বুকে খোঁজ মিলল বিরল ফুলের, বিজ্ঞানী দলের পুরোধা তিন ভারতীয়