পলাশ পাত্র, তেহট্ট: ভোটের দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক সংঘর্ষ৷ এবার তেহট্টের সাহাপুরে তৃণমূল-বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দু’পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷ এদের মধ্যে ১১ জনকে তেহট্ট হাসপাতালে ভরতি করতে হয়েছে৷ সোমবারের এই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে৷
[ এক পরিবারেই দুই দলের প্রার্থী, ভাসুর-ভাদ্রবউয়ের লড়াইয়ে সরগরম বাগনান ]
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাহাপুরে এক বিয়ে বাড়ি থেকে তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী সমর্থকের সঙ্গে বুথ সভাপতি প্রফুল্ল রায়ও তাঁর নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন৷ একই সময় বিজেপির কর্মীরাও প্রচার সেরে বাড়ি ফিরছিলেন৷ দু’পক্ষ মুখোমুখি হতেই বচসা শুরু হয়৷ এরপর দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়৷ লাঠি, হাঁসুয়া-সহ একাধিক ধারাল অস্ত্র নিয়ে মারামারি হয়৷ নাটনা পঞ্চায়েতের বিদায়ী বোর্ডের উপপ্রধান তথা এলাকার তৃণমূল নেতা দিলীপ বিশ্বাসের অভিযোগ, সিপিএম-বিজেপি একজোট হয়ে তাঁদের কর্মীদের উপর পরিকল্পনা মাফিক হামলা চালায়৷ ওই দুষ্কৃতী দলের মধ্যে ওদের মধ্যে সিপিএমের প্রাক্তন সদস্য সুভাষ রায় ছিল বলে অভিযোগ৷ দা, হাঁসুয়া, লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি৷ এদিনের এই ঘটনা প্রসঙ্গে সুভাষবাবু বলেন, ‘‘আমাদের দলের ছ’জনকে রাতে হাসপাতালে ভরতি করতে হয়৷ ওরা ওই এলাকায় পঞ্চায়েত ভোটে কিছুই করতে পারবে না দেখে এরকম আক্রমণ করছে৷’’ তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাসের দাবি, ‘‘আমরা এখন যথেষ্ট শক্তিশালী৷ ওদের পায়ের তলার মাটি সরে যাওয়াতে তৃণমূলীরা আমাদের কর্মীদের মারধর করে৷ পাঁচজন কর্মী এখন তেহট্ট হাসপাতালে ভরতি৷’’ হাসপাতাল সূত্রে খবর, এই ঘটনায় ধারল অস্ত্রের কোপে দু’পক্ষের চারজনের মাথায় কোপ লাগে৷ একজনের হাত ভেঙে যায়৷
[ লগ্নভ্রষ্ট তাঁতিপাড়া! ভোট না হওয়ায় হতাশ গোটা গ্রাম ]
সর্বশেষ খবর
-
মহারাষ্ট্রে ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙন! পওয়ারের ‘অস্থিরচিত্ত’ বিধায়কদের ‘সন্দেহ’ কংগ্রেসের
-
১৬ বছর পর কলকাতা পেল মহিলা ওসি, একসঙ্গে রদবদল ৩৩ ইন্সপেক্টরের
-
খেয়াল রাখতে হবে অভিযোগকারিণীর মানসিক দিকটিও, লালবাজারে বিশেষ প্রশিক্ষণ ১৮৩ মহিলা পুলিশকে
-
ইথানলের মিশ্রণে গাড়ির ক্ষতি না হওয়ার দাবি, গড়করিকে পালটা ‘চ্যালেঞ্জ’ সমাজকর্মীদের
-
সেবাশ্রয়ের ‘ভুলে’ বাদ পা! অভিষেক-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের মহিলার