Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬

লুচি-তরকারি আর ১০০ টাকাতেই প্রচার মিছিলে শিশুরা, বিতর্কে রাজনৈতিক দলগুলি

কোচবিহার জুড়ে তোলপাড়, দায় এড়াচ্ছে সব পক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০১৮, ১২:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০১৮, ১২:৩৪

options
link
লুচি-তরকারি আর ১০০ টাকাতেই প্রচার মিছিলে শিশুরা, বিতর্কে রাজনৈতিক দলগুলি zoom

সংগ্রাম সিংহরায়, কোচবিহার: কোথাও পুরি-সবজির টোপ। কোথাও কোথাও বাচ্চারা মিছিলে গেলে বাবাকে একশো টাকা দেওয়ার প্রলোভন! এই হাতছানিতে সাড়া দিয়েই  রাজনৈতিক দলের মিছিলে হাজির কচিকাঁচারা। কারও বয়স সাত,  কারও নয় বা দশ। কে তৃণমূল, কে বিজেপি, কে সিপিএম বা কংগ্রেস তাদের জানা নেই। তারা চেনে চিহ্ন। আর দিনের খাবারের কোটা। এর টানেই কোচবিহার শহরে কখনও ঘাসফুল, কখনও পদ্মফুলের ঝান্ডা কাঁধে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে শিশু প্রচারকদের। এনিয়ে বিভিন্ন দলের মধ্যেই বিতর্ক দানা বেধেছে। বিষয়টিতে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন অনেকেই।

bjp-children

Advertisement

তবে প্রকাশ্যে শিশুদের দিয়ে মিছিলে, প্রচারে হাঁটানোর নিন্দা করেছেন খোদ তৃণমূল জেলা সভাপতি তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। তিনি বলেন, “শিশুদের দিয়ে প্রচার করানো উচিত হয়নি। খোঁজ নিয়ে দেখছি। ভবিষ্যতে এমন যাতে না হয় তার ব্যবস্থা করা হবে।” যদিও বিজেপির তরফে এমন ঘটনা হয়নি বলে দাবি করেছেন দলের জেলা সভাপতি নিখিলরঞ্জন দে। এমনকী, ছবি দেখালেও সেটা কোচবিহারের ছবি নয় বলে পাল্টা দাবি করেন তিনি। তাঁর দাবি, “কোচবিহার জেলায় তৃণমূলের চাপে বিজেপি প্রার্থী-কর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারছেন না। তাতে শিশুদের কোথায় পাব? এ ধরনের কোনও ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়িত নয়।” এই প্রসঙ্গে জেলা শিশু সুরক্ষা আধিকারিক স্নেহাশিস চৌধুরি জানান, “এটা শিশু সুরক্ষা আইনের আওতায় পড়ে না। শিশুদের দিয়ে শ্রম ও তার বিনিময়ে অর্থ দেওয়া হচ্ছে কী না, তার প্রমাণ না থাকলে কিছু করার নেই। তবে অভিযোগ হলে তদন্ত করা হবে।” বিষয়টি কোচবিহারের জেলাশাসক কৌশিক সাহাকে জানানো হলে তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

ঝান্ডা কাঁধে হারাধন, সাবিনা, সুবোধরা কি বলছে ?

তাদের দাবি, এক ঘণ্টা পতাকা নিয়ে দাদাদের সঙ্গে থাকলে লুচি-তরকারি দেবে। আবার বাবাকে একশো টাকাও দেবে বলেছে। তাই বাবা বলেছে দাদাদের সঙ্গে থাকতে। জেলা জুড়েই একাধিক জায়গায় এই দৃশ্যে বিড়ম্বনায় পড়েছে দু’দলই। কোচবিহার দু’নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি তথা জেলা পরিষদ প্রার্থী পরিমল বর্মনের দাবি, ওরা নিজেরাই আসে আনন্দ করতে। আর্থিক লেনদেনের কোনও ব্যাপার নেই। ওরা থাকে তাই টিফিন খাওয়ানো হয়। যদিও এক শিশুর দাদু বিনেশ রায়ের দাবি, “বাড়িতে ছ’জন সদস্য। ছেলে বাইরে থাকে, একার পক্ষে সংসার চালানো সম্ভব না। তাই ভোটের সময়ে দেড়-দু’হাজার টাকা আয় হলে ক্ষতি কি? এমনিতো কেউ টাকা দেয় না। আর এ কাজে পরিশ্রমও তেমন নেই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.