BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রেললাইনের ধারে মিলল প্রিসাইডিং অফিসারের ক্ষতবিক্ষত দেহ, রায়গঞ্জে চাঞ্চল্য

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 16, 2018 9:20 am|    Updated: May 16, 2018 9:20 am

An Images

শংকর রায়, উত্তর দিনাজপুর:  হুমকি উপেক্ষা করে নিজের কর্তব্যে অবিচল ছিলেন পঞ্চায়েতের ভোটের এক প্রিসাইডিং অফিসার। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বুথের বাইরে বেরোননি। মঙ্গলবার সকালে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে রেললাইনের ধার থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। মৃতের পকেট থেকে পাওয়া গিয়েছে পরিচয়পত্র। ঘটনায় অপহরণ করে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে থানায়।

[কড়া নিরাপত্তায় রাজ্যের ৫৭১টি বুথে শুরু হল পুনর্নির্বাচন]

মৃতের নাম রাজকুমার রায়। বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের সুদর্শনপুরে। করণদিঘির রহতপুর হাই মাদ্রাসার ইংরেজির সহকারি শিক্ষক  ছিলেন রাজকুমারবাবু। সরকারি কর্মচারী হওয়ার সুবাদে পঞ্চায়েত ভোটে ডিউটি পড়েছিল। ইটাহারের বানবোল প্রাথমিক স্কুলের বুথে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সোমবার ভোটগ্রহণ চলাকালীন বারবার রাজকুমার রায়ের কাছে হুমকি ফোন আসছিল। ফোনে তাঁকে বুথের বাইরে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। কিন্ত, শত হুমকিতেও ওই সরকারি কর্মচারীকে কর্তব্য থেকে টলানো যায়নি। রাজকুমার রায় সাফ জানিয়ে দেন, ভোট চলাকালীন তাঁর পক্ষে বুথের বাইরে যাওয়া সম্ভব নয়। বুথ থেকে বেরোলে দেখা নেওয়ার পালটা হুমকি দেওয়া হয়।

[নদিয়ায় দিনেদুপুরে তৃণমূল নেতাকে কুপিয়ে খুন, অভিযোগের তির বিজেপির দিকে]

অভিযোগ, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ যখন ভোটের নথি ও ব্যালট জমা দিয়ে বুথ থেকে বেরোন রাজকুমারবাবু, তখন তাঁকে অপহরণ করে দুষ্কৃতীরা। এদিকে ভোটের ডিউটি সেরে স্বামী বাড়ি না ফেরায় প্রশাসনের দ্বারস্থ হন রাজকুমার রায়ের স্ত্রী অর্পিতা। তাঁর অভিযোগ, ভোটের পর রাজকুমার রায়কে যে অপহরণ করা হয়েছে, তা প্রথমে মানতে চাননি প্রশাসনের আধিকারিকরা। জানানো হয়, তিনি আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছেন। যদিও তা মানতে চাননি ওই প্রিসাইডিং অফিসারের স্ত্রী। শেষপর্যন্ত, চাপে পড়ে রাজকুমার রায়ের নামে থানায় মিসিং ডায়েরি করেন ইটাহারের বিডিও রাজু লামা।

[পঞ্চায়েত ভোটের দিন ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট, সেলিম পুত্রের বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি]

পঞ্চায়েত ভোটের প্রিসাইডিং অফিসারের রাজকুমার রায়ের ক্ষতবিক্ষত দেহ পাওয়া গেল মঙ্গলবার। রায়গঞ্জের সোনাডাঙি এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক লাগোয়া রেললাইনের ধার থেকে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পকেটে প্রিসাইডিং অফিসারের পরিচয়পত্র। ইটাহারের বিডিও রাজু লামা জানিয়েছেন, ‘সোমবার থেকেই রাজকুমারবাবুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। অপহরণের পরও তাঁর মোবাইল ব্যবহার করা হয়েছে। ফোন ট্যাপ করার কথা বলি। দুপুরে অভিযোগ জানানো হয়। সন্ধ্যায় মৃতদেহ উদ্ধার হয়।’  কী কারণে খুন হলেন ওই সরকারি কর্মচারী, তা খতিয়ে দেখছে ইটাহার থানার পুলিশ।

ছবি: দীপিকা দে

[পুরুলিয়ায় গভীর রাত পর্যন্ত চলল ভোট, বুথের বাইরেই ঘুমিয়ে গেলেন ভোটাররা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement