Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

ভোটের কুরুক্ষেত্রে যুযুধান দুই ছেলে, ধর্মসংকটে বিধবা মা

এক উঠোনে থেকেও দুই ভাইয়ের কার্যত মুখদর্শনও বন্ধ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৭:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৭:৩৫

options
link
ভোটের কুরুক্ষেত্রে যুযুধান দুই ছেলে, ধর্মসংকটে বিধবা মা zoom

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: সাত বছর আগে স্বামী মারা গিয়েছেন। তারপর থেকেই দুই ছেলের ভরসায় বেঁচে আছেন স্ত্রী। বাবার মৃত্যুর পর দুই ছেলেও মাকে সর্বক্ষণ আগলে রেখেছেন। কিন্তু এবারের পঞ্চায়েত ভোট সেই দুই ছেলের মধ্যেই যেন অদৃশ্য দেওয়াল তুলে দিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে দুই ভাই যুযুধান দু’দলের প্রার্থী হয়েছেন। আর তাতেই কোন ছেলেকে সমর্থন করবেন, এই প্রশ্নে কার্যত ধর্মসংকটে পড়ে গিয়েছেন মা। এই নিয়েই সরগরম হয়ে উঠেছে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর ব্লকের গুঞ্জরিয়া পঞ্চায়েতের ভোটের হাওয়া।

[আত্রেয়ী নদীতে ভেসে উঠল পুলিশকর্মীর মৃতদেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হাজি বস্তির বাসিন্দা মহম্মদ হবিবুর রহমান বেঁচে থাকতে সিপিএমের গুঞ্জরিয়া লোকাল কমিটির সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের কেউ আর তেমন রাজনীতির অঙ্গনে পা বাড়াননি। সংসার নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন দুই ছেলে মহম্মদ আজাদ হোসেন এবং মহম্মদ রাজিক আলম। কিন্তু এবার দুই ভাই সম্মুখ সমরে। গুঞ্জরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ অলিগঞ্জ কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হিসাবে ছোট ছেলে আজাদ মনোনয়ন দাখিল করেছেন। উলটোদিকে শাসকদলের টিকিটে প্রার্থী হয়েছেন দাদা রাজিক। ব্যস, এরপরই যেন সুখের সংসারে আড়াআড়ি ফাটল। একই উঠোনে থেকেও দুই ভাইয়ের কার্যত মুখদর্শনও বন্ধ।

আর দুই ভাইয়ের লড়াইয়ের মাঝে পড়ে গিয়েছেন মা আলেখা বেওয়া। বড় ছেলের দিকে যাবেন, নাকি ছোট ছেলের দিকে, তাই নিয়েই আতান্তরে মা। তবে সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ আজাদের কথায়, এতবছর ধরে বাবা বাম দল করলেন। আর দাদা বাবার আদর্শ ছেড়ে অন্য দলে ভিড়েছে। এটা কীভাবে মেনে নেব। তাই দাদার বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছি।” তৃণমূল প্রার্থী দাদা মহম্মদ রাজিক আলমের কথায়, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সাড়া দিয়ে প্রার্থী হয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করছি। ফলে জয় নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এটা ভাইয়ের সঙ্গে নয়, আদর্শের লড়াই।”

আদর্শের লড়াই হোক বা উন্নয়নের, আদপে যে পাণ্ডবদের সঙ্গে কর্ণের যুদ্ধের মতোই দুই ভাই রণক্ষেত্রে, বুঝতে পারছেন মা আলেখা বেওয়া। তাই কার্যত ঘরবন্দি করে রাখছেন নিজেকে। ফের মধুর সম্পর্ক ফিরিয়ে আনতে মায়ের সাফ কথা, “কোনও ছেলের জন্যই প্রচারে নামব না। কারণ দু’দিকেই যে আমার রক্ত। কারও পক্ষ নিতে পারব না।”

[বাংলায় এখন এক গাছে আম-আমড়া-কাঁঠাল ফলছে: মমতা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.