নন্দন দত্ত, সিউড়ি: নির্বাচন নেই। কিন্তু বিজেপি নেতাদের আক্রমণ অব্যাহত রাখল তৃণমুল। ‘বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দেড় ফুটের লোক। তিনি আবার বিশ ফুট, পঁচিশ ফুট কথা বলছেন। আমাদের একটা অঞ্চল সভাপতির সঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষমতা নেই তাঁর।’ এমনই কটাক্ষ করলেন সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। মঙ্গলবার তারাপীঠে পুজো দিয়ে ফিরে রামপুরহাট এমনই কথা বলেন মন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মনোনয়ন পর্বে রামপুরহাট এলাকায় প্রকাশ্যে মস্তানি রাজ নিয়ে এদিন মুখ খোলেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি জানান, যারা অস্ত্র হাতে দাপিয়ে পেড়িয়েছে তারা কেউ তৃণমূলের লোক নয়।
[চায়ের ঠেকে আড্ডায় খোদ মন্ত্রী, পঞ্চায়েতের প্রচারে অভিনব কৌশল স্বপনের]
মঙ্গলবার সকালে তারাপীঠে মা তারার পুজো দেন সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। দুপুরে আসেন রামপুরহাট শহরের ডাকবাংলা পাড়ায় কো-অপারেটভে এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্কে। সেখানে ব্যাংকের অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেন। ব্যাঙ্কের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। এরপর সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “বাম আমলে ব্যাংক রুগ্ন হয়ে গিয়েছিল। এখন অনেক উন্নতি হয়েছে। উপভোক্তা বেড়েছে। ঋণ দান এবং আদায়ের পরিমান তুলনামুলকভাবে বেড়েছে। তবে অনাদায়ী ঋণ আদায়ে আরও কঠোর হতে হবে। প্রয়োজনে আইনের সাহায্য নেওয়া হবে। বার বার নোটিস পাঠিয়েও অনাদায়ী ঋণ না পরিশোধ করলে উপভোক্তার বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হবে। কোনভাবেই ব্যাংককে রুগ্ন হতে দেওয়া হবে না”। তিনি আরও বলেন, “বিরোধীদের কোনও সাংগঠনিক ক্ষমতা নেই। তাই শুধু বড় বড় কথা বলে সংবাদমাধ্যমের সামনে আসার চেষ্টা করে তারা। দিলীপ ঘোষ এতো বড় বড় কথা বলছেন তাতে মনে হয়েছে এক কথায় বাঘ মেরে ফেলবেন। উনি জানেন এই সব কথা না বললে তিনি জনপ্রিয় হতে পারবেন না। সেই কারণেই তিনি ওই সব কথা বলছেন”।
[ভোট বিশ বাঁও জলে, তবু দেওয়াল লিখন নিয়ে দুই ২৪ পরগনায় কাজিয়া অব্যাহত]
মনোনয়নের কয়েকদিন মৌনব্রত পালন করলেও এদিন সমবায় মন্ত্রীর পাশে বসে কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন। কারন মনোনয়ন পর্বে তার মত প্রাক্তন অধ্যাপক ও আদর্শবাদী শিক্ষকের এলাকায় এমন সন্ত্রাশ নিয়ে সরব হন শহরের অধিকাংশ মানুষ। ‘স্যর আপনিও’ এই সম্বোধন করে কের পর এক সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে থাকে তাঁর ছাত্র থেকে সমর্থকেরা। মনোনয়নে সেই সন্ত্রাস প্রসঙ্গে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সাংবাদিকের যে গুলি লেগেছিল সেটা কি তৃণমূল মেরেছিল? যারা লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়েছিল, তারা কি তৃণমূলের? আপনারা আগে প্রমাণ করুন। তবে তিনি জানান যারা শহরে দাপিয়ে বেড়িয়েছে তাদের তিনি সমর্থন করেন না। কারণ তারা কেউ তৃণমূলের সমর্থক নয়”।
ছবি সুশান্ত পাল
সর্বশেষ খবর
-
বান্ধবীর বাবার ‘যৌন লালসা’র শিকার তরুণী, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত
-
গুলির অবস্থান জানতে ডিজিটাল এক্স রে, ৩ সদস্যের নজরদারিতে বারুইপুরের প্রভাসের ময়নাতদন্ত
-
ভারতীয়দের বিপদ বাড়ছে? এইচ ১বি দুর্নীতিতে ট্রাম্পের ‘সন্দেহভাজন’ তালিকায় কগনিজ্যান্ট!
-
কোথায় হতে পারে ২১ জুলাই পালন? বিকল্প জায়গা জানাতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে ঋতব্রত শিবির
-
হরমুজে জাহাজ চলতে দেওয়া হোক, ট্রাম্পের ‘ভয়ংকর হামলা’র পরই সংযত থাকার বার্তা ভারতের