Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
WB STF arrested 5 persons and seized 824 Kgs of Ganja

ট্রাকে তল্লাশির সময় উদ্ধার ৮২৪ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার পাঁচ পাচারকারী

এদিকে, কলকাতায় গ্রেপ্তার এক জাল নোট পাচারকারী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২২, ১২:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২২, ১২:৫৬

options
link
ট্রাকে তল্লাশির সময় উদ্ধার ৮২৪ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার পাঁচ পাচারকারী zoom
Advertisement

অভিষেক চৌধুরী ও অর্ণব আইচ: এসটিএফের (STF) বড়সড় সাফল্য। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার শিবতলা এলাকায় গাঁজা বোঝাই ট্রাক উদ্ধার। ওই ট্রাকটি থেকে ৮২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গোপন সূত্রে এসটিএফ জানতে পারে রবিবার রাতে গাঁজা ভরতি একটি লরি মণিপুর থেকে পূর্বস্থলীতে আসছে। এরপরেই কালেখাঁতলা ২ পঞ্চায়েতের শিবতলা এলাকার মরণ বালার বাড়ির সামনে নজরদারি চালানো হয়। ওই এলাকায় একটি ট্রাক ওই বাড়ির সামনে দাঁড়াতেই স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের আধিকারিকরা অভিযানে নামেন। তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ গাঁজা। ওই ট্রাক থেকে ৮২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কালো তালিকাভুক্ত হয়েও ৪ বছর ধরে চলছে ধর্মতলার দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাস! তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য]

ট্রাক থেকে গাঁজা উদ্ধারের পরই ট্রাকচালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরেই ওই এলাকা থেকে মরণ বালা এবং তার ছেলে শুভকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। কারণ, তারা দু’জনে আন্তঃরাজ্য গাঁজা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত। তদন্তকারীরা জানান, জেরায় গাঁজা পাচারের কথা স্বীকার করে নেয় দু’জনে। এরপরই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। কয়েক বছর আগেও ওই দুই গাঁজা পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ।

এদিকে, কলকাতা পুলিশের এসটিএফ জালনোট পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে। স্ট্র্যান্ড রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। ধৃতের নাম আফতাব আলম ওরফে রেহান। জানা গিয়েছে, সে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। সেখানে একটি ভাড়াবাড়িতেই থাকে সে। ধৃতের কাছ ছেতে পুরনো ৫০০ টাকা ১ হাজারটি নোট পাওয়া গিয়েছে। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০বি, ৪৮৯বি, ৪৮৯সি ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। সোমবার ধৃতকে আদালতে তোলা হবে। জালনোট পাচারের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্তকে জেরা করেই সমস্ত তথ্য সামনে আসবে বলেই আশাবাদী তাঁরা।

Fake currency

[আরও পড়ুন: করোনার কবল থেকে সুস্থতার পথে রাজ্য, একদিনে সংক্রমিত সাড়ে ৩ হাজারের কম]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.