Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
Delhi Cyber Police

বাস্তবের রিকি বহেল! ৫০০-র বেশি মহিলাকে ফুঁসলিয়ে ২ কোটি টাকা প্রতারণা, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

অভিযোগ, তিনি ৫০০-রও বেশি মহিলার সঙ্গে প্রতারণা করে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৭:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৭:১৭

options
link
বাস্তবের রিকি বহেল! ৫০০-র বেশি মহিলাকে ফুঁসলিয়ে ২ কোটি টাকা প্রতারণা, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত zoom
অভিযুক্ত আনন্দ কুমার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা।

সিনেমার গল্পকে হার মানানো বাস্তব ঘটনা। ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত লেডিস ভার্সেস রিকি বহেল ছবিতে একাধিক মহিলার সঙ্গে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন হিরো। এবার বাস্তবের রিকি বহেলকে গ্রেপ্তার করল দিল্লি সাইবার পুলিশ। অভিযোগ, তিনি ৫০০-রও বেশি মহিলার সঙ্গে প্রতারণা করে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অভিযুক্ত ব্য়ক্তির নাম আনন্দ কুমার। তিনি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিভিন্ন ডেটিং ও ম্যাট্রিমনিয়াল অ্যাপের মাধ্যমো ভুয়ো পরিচয়ে মহিলাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন আনন্দ। কখনও নিজেকে চিকিৎসক, কখনও ব্যবসায়ী, কখনও চলচ্চিত্র প্রযোজক বা আইনজীবী বলে পরিচয় দিতেন। ধীরে ধীরে সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিতেন। কয়েকটি ঘটনায় মডেলিংয়ের সুযোগ বা নামী কলেজে ভর্তির প্রলোভনও দেখাতেন। এরপর
সম্পর্ক গাঢ় হওয়া শুরু করলে অসুস্থতা, ব্যবসায় লোকসান বা পারিবারিক সমস্যার অজুহাতে টাকা দাবি করতেন অভিযুক্ত। টাকা হাতে পেলেই হঠাৎ মহিলাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে এই প্রতারণার ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগকারী জানান, ‘বৈভব অরোরা’ নামে একটি ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন আনন্দ। এরপর তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। ডেটিং অ্যাপেই তাঁদের পরিচয় হয়েছিল। এরপর ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন শুরু হয়। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা নিতে থাকেন অভিযুক্ত। পরে টাকা ফেরত চাইলে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে দিল্লি সাইবার পুলিশ। মোবাইল নম্বর, সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ও আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখে জানা যায়, বৈভব অরোরার আসল নাম আনন্দ কুমার। তাঁকে গ্রেপ্তার করতে একাধিকবার রাজ্যে অভিযান চালানো হয়। অবশেষে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, একাধিক নামে ভুয়ো প্রোফাইল তৈরি করতেন আনন্দ। ডা. রোহিত বহেল, তরুণ, আনন্দ শর্মা, এমনকি শিখা নামেও প্রোফাইল ছিল তাঁর। পুলিশের নজর এড়াতে একাধিক মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড ব্যবহার করতেন তিনি। অভিযুক্তের কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন, আটটি সিম কার্ড, তিনটি ডেবিট কার্ড এবং প্রতারণার টাকায় কেনা সোনার গয়না উদ্ধার হয়েছে। তদন্তে নেমে আধিকারিকরা জানতে পারেন, প্রতারণার টাকার একটি বড় অংশ তিনি অনলাইন গেমিং ও বিলাসবহুল জীবনযাপনে খরচ করতেন।

পুলিশ জানিয়েছে, এর আগেও দিল্লি ও গাজিয়াবাদে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একই ধরনের একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল। এই প্রতারণা চক্রে আর কেউ জড়িত রয়েছেন কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.