‘হাল ফেরাও লাল ফেরাও’। একুশের বিধানসভা ভোটে এই স্লোগান তুলে রাজ্যে ফের জমি শক্ত করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল সিপিএম। সেবার সিপিএম, কংগ্রেস, আইএসএফ মিলে সংযুক্ত মোর্চা লড়াই করেছিল। আইএসএফ একটিমাত্র আসন জিতলেও সিপিএমের ঝুলিতে এসেছিল শূন্যই। ছাব্বিশে অবশ্য সেই দল শূন্য থেকে এক হয়েছে। ডোমকল থেকে জিতে বিধানসভায় এসেছেন মুস্তাফিজুর রহমান রানা। আর ফলতায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে কাস্তে-হাতুড়িতে আরও শান দিলেন সিপিএম প্রার্থী শম্ভুনাথ কুর্মি। ভয়মুক্ত নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন তাঁর ৪০,৬৪৫ ভোট। এহেন ফলাফলের পর সিপিএম প্রার্থী রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলছেন, ‘‘আগামীতে আর ফলতার বুকে কোনও জাহাঙ্গির তৈরি না হয়, তার জন্য আমরা প্রস্তুত। আমরা গণ আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত।”
এতদিন নির্বাচনে নিরপেক্ষতা ছিল না বলে সিপিএম প্রার্থী সরাসরিই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাজকে দায়ী করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘দরিদ্র মানুষ এতদিন ভোট দিতে পারতেন না। তৃণমূলের জামানত আগেই জব্দ হতো। পুলিশ আর মস্তান বাহিনী নিয়ে এতদিন জিতেছে তৃণমূল। আজ হাওয়া হয়ে গিয়েছে।”
আরও পড়ুন:
এর আগে ২০১৬ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই বিধানসভায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল সিপিএম। দলের প্রার্থী বিধান পাড়ুই ৭০ হাজারের বেশি পেয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে অবশ্য সর্বস্তরে ফুটে যায় ঘাসফুল। এবার আবার ঘাসফুল উপড়ে ফলতা দখল করে নিল বিজেপি। ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জিতেছেন বিজেপির দেবাংশু পান্ডা। আর আবারও দ্বিতীয় হয়ে উঠে এসেছে সিপিএম। পরাজিত হলেও ৪০ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে আত্মবিশ্বাসী প্রার্থী শম্ভুনাথ কুর্মি। বলছেন, ‘‘ফলতাবাসী আজ অনেক বড় দায়িত্ব দিলেন। সেই দায়িত্ব প্রার্থী হিসেবে আমি মাথা পেতে নিলাম। লাল ঝাণ্ডার পতাকার তলে প্রান্তিক মানুষের দাবিদাওয়া আদায়ে এগিয়ে যাব।”

এতদিন নির্বাচনে নিরপেক্ষতা ছিল না বলে সিপিএম প্রার্থী সরাসরিই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাজকে দায়ী করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘দরিদ্র মানুষ এতদিন ভোট দিতে পারতেন না। তৃণমূলের জামানত আগেই জব্দ হতো। পুলিশ আর মস্তান বাহিনী নিয়ে এতদিন জিতেছে তৃণমূল। আজ হাওয়া হয়ে গিয়েছে।” ফলতার মাটিতে সন্ত্রাসের অবসান হবে বলেই আশা তাঁর। ফলতায় সিপিএমের দ্বিতীয় হওয়া রীতিমতো উদযাপন করছে সিপিএম। দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘‘বিজেপি বিরোধিতায় মানুষজন যে আমাদের উপর ভরসা রাখছেন, আমাদের এত ভোট দিয়েছেন, তার জন্য তাঁদের লাল সেলাম। এই ফলাফল আরও ভালো হতে পারত যদি আমরা প্রচারের আরও সময় পেতাম। তবে এর উপর দাঁড়িয়ে আমরা, বামপন্থীরা বিকল্প রাজনীতিতে আরও এগিয়ে যাব। মানুষের আরও কাছে যাব, তাঁরাও আমাদের আশ্রয়ে আসবেন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কাপড়ের ব্যবসা, শিবপুরের ঘিঞ্জি এলাকায় বাস, বানাতেন জাল নথিও, সীমান্তে ধৃত কে এই আফগান যুবক?
-
বাবা পরিযায়ী শ্রমিক, বহু কষ্টে পড়াশোনা, নিটে সফল আতাউলের স্বপ্ন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হওয়া
-
ফি বৃদ্ধি, হয় না ক্লাস! পাক বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলকালাম, পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মাঝেই গুলি সেনা আধিকারিকের
-
লক্ষ্য পাহাড়ের উন্নয়ন, এবার কলকাতায় শমীকের সঙ্গে বৈঠকে গোর্খা নেতা গুরুং
-
প্রদেশ কংগ্রেসে আরও কোনঠাসা অধীর! বাতিল রবিবারের যোগদান, তৃণমূলীদের নিয়ে আপত্তি এআইসিসির