ছাব্বিশের ভোটযুদ্ধে (West Bengal Assembly Election) রাজ্যের শাসকদলের অন্যতম অস্ত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের একাধিক সামাজিক প্রকল্প। তার মধ্যে অন্যতম বাড়ির মহিলাদের জন্য ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’। প্রতি মাসে তাঁদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায় রাজ্য সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর অর্থ। প্রত্যেক মহিলার হাতখরচ হিসেবে সরকার ১৫০০ টাকা দেওয়া হয় সরকারের তরফে। ২০২১ সাল থেকে চালু হওয়া এই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্প এতদিনে ব্যাপক জনপ্রিয়। এবারের নির্বাচনী জনসভাতেও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর অন্যতম সফল প্রকল্পটিতেই বারবার জোর দিচ্ছেন। বুধবার, বড়ঞার দলীয় প্রার্থী প্রতিমা রজকের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে ফের তিনি শোনালেন কীভাবে এই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্প চালুর কথা তাঁর মাথায় এল, সেই গল্প। আসলে এই কাহিনির মধ্যে দিয়ে জননেত্রী ফের আমজনতার অর্থকষ্ট এবং তা পেরিয়ে আসার আবেগ উসকে দিতে চাইলেন।
তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়, ”অভিষেকের মা ছুটে তখন এসে আমায় বলল, দিদি ৫০০ টাকা দেবে? সব টাকা তো জমা দিয়ে দিতে হবে, বাজার করব কী করে?’’ এই প্রশ্নই তৃণমূল সুপ্রিমোর মাথায় নতুন ‘আইডিয়া’ এনে দেয়। তাঁর মনে পড়ে, বাড়ির সকল মা-বোনেরাই কখনওসখনও ভাঁড়ে কমবেশি সঞ্চয় করেন। অসময়ে সেই সঞ্চয় তাঁদের শক্তি হয়ে ওঠে। সেখান থেকেই ‘লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার’ নামে প্রকল্প চালুর কথা ভেবে ফেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
২০১৬ সালের নভেম্বরে আকস্মিকভাবেই কেন্দ্রের মোদি সরকার নোটবাতিল ঘোষণা করেষ। তখনকার ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট রাতারাতি বাতিল করে দেওয়া হয়। কেন্দ্রের এই ‘হঠকারী’ সিদ্ধান্তে আতান্তরে পড়েছিলেন আমজনতা। সেইসময়কার একদিনের কথা বুধবার বড়ঞার প্রচারসভায় তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ”অভিষেকের মা ছুটে তখন এসে আমায় বলল, দিদি ৫০০ টাকা দেবে? সব টাকা তো জমা দিয়ে দিতে হবে, বাজার করব কী করে?’’ এই প্রশ্নই তৃণমূল সুপ্রিমোর মাথায় নতুন ‘আইডিয়া’ এনে দেয়। তাঁর মনে পড়ে, বাড়ির সকল মা-বোনেরাই কখনওসখনও ভাঁড়ে কমবেশি সঞ্চয় করেন। অসময়ে সেই সঞ্চয় তাঁদের শক্তি হয়ে ওঠে। সেখান থেকেই ‘লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার’ নামে প্রকল্প চালুর কথা ভেবে ফেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। সরকারি প্রকল্প চালুর একেক ধাপ পেরিয়ে ২০২১ সালে অবশেষে তা বাস্তবায়িত করে রাজ্য সরকার।
তবে এদিন শুধু অভিষেকের মায়ের কথাই নয়, আরও একজনের কথা বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেন, “একটি মেয়ে সে বেঙ্গালুরুতে থাকে। তার বাড়ির একজন আমাদের কাছে থাকে। সে-ও বলেছিল, ১০০টা টাকা দেবে? আমি সেই দিন ঠিক করেছিলাম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করব। সেই মেয়েই আমায় জানায়, তার নিজেরও একটা ভাণ্ডার আছে। তাতে সে পাঁচ টাকা, দশ টাকা জমা করে। কালীপুজোর সময় সেই টাকা থেকেই একটা কিছু সে তার মাকে দেয়।” তবে এখন আর ৫,১০ টাকা নয়, প্রতি মাসে সরাসরি একসঙ্গে ১৫০০ টাকা বাংলার প্রত্যেক মহিলাকে সঞ্চয় ও হাতখরচ বাবদ দিয়ে থাকে রাজ্য সরকার। এটাই আসলে বাংলার প্রতি ঘরে ঘরে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের সবচেয়ে ভালো নজির।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চোখের জলে মাঠ ছাড়েন রোনাল্ডো! ১৬ হলুদ, ৪ লাল কার্ডে ভরা বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘নোংরা’ ম্যাচ
-
বাড়িতেই রেস্তরাঁর মতো খাবার বানানোর আবদার? সহজ টিপস মেনে চললেই কেল্লাফতে
-
‘মমতার এপাং-ওপাং-ঝপাং নয়, গ্রন্থাগারে থাকবে রাষ্ট্রবাদী চেতনার বই’, পরিকল্পনা মন্ত্রী গৌরীশংকরের
-
‘মানব ঢাল তৈরি করুন’, ভারতের ‘পুশ ইনে’র প্রতিবাদে সীমান্তবর্তী জেলায় মহামিছিলের ডাক জামাতের
-
এভারেস্টে ভয়ঙ্কর ভিড়, ‘ট্রাফিক জ্যামে’ বিরক্ত শেরপারা, ৭ হাজার মিটার উঁচুতেও বইছে জলের স্রোত
নিবেদিত


