Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

উন্নয়নের ফিরিস্তি নিয়ে পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রচারসঙ্গী ক্লাবও

বই ছাপাতে পাঠানো হয়েছে সিডি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০১৮, ১৪:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০১৮, ১৪:৪৩

options
link
উন্নয়নের ফিরিস্তি নিয়ে পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রচারসঙ্গী ক্লাবও zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: বছর বছর ক্লাবগুলোকে সরকারি অনুদান দেওয়া হয় কেন? একাধিকবার এ প্রশ্ন তুলে নানা অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধীরা। জবাব এবার দিচ্ছে ক্লাবগুলোই। সাত বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কী কাজ করেছে, তার ফিরিস্তি সমেত ক্লাবের কর্তা থেকে সাধারণ সদস্য, প্রত্যেকের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে দেওয়া হচ্ছে একটি চটি বই। এই বই সম্বল করেই গ্রামের পথে বেরিয়ে পড়বেন তাঁরা। গ্রামের ভোটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূল সরকারের কাজের প্রচার করার অন্যতম দায়িত্ব এবার তাঁদের উপরও।

[হাই কোর্টে বড় ধাক্কা বিজেপির, তথ্য গোপনের দায়ে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা]

কন্যাশ্রী, রূপশ্রী থেকে সবুজসাথী, খাদ্যস্থাথী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো একাধিক প্রকল্প-সহ সাত বছরের সরকারের কাজ ‘সিডিবদ্ধ’ করেছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই সিডিই প্রতিটি জেলা নেতৃত্বের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সেই সিডি দেখেই পঞ্চায়েতের জনসংখ্যার উপর ভিত্তি করে বানানো হচ্ছে চটি বই। ক্লাবকর্তা ও সেখানকার সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী যা সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলির হাতে তুলে দেওয়া হবে। কোথাও ক্যাম্প করে লোক জুটিয়ে এনে, কোথাও বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোটারদের সামনে সরকারি পরিষেবার কথা দরাজ করে জানানো হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[ভোটে জিততে নিজের দেওয়াল নিজেই লিখছেন পুরুলিয়ার শিল্পী শিবরাম]

তৃণমূলের এমন উদ্যোগের কারণ কী? দলের এক শীর্ষস্থানীয় নেতার ব্যাখ্যা, “ভোটের সময় প্রকাশ্যে চায়ের দোকান আর ক্লাবের সামনে সবচেয়ে বেশি ভোট নিয়ে আলোচনা হয়। সবার আগে আলোচনায় আসে সরকার কী করছে। তার উত্তরই আমরা হাতে হাতে ধরিয়ে দিতে চাই।” দলীয় সংগঠনের শীর্ষে রয়েছেন এমন এক নেতার কথায়, “সরকার কোন কাজটা করল, তার সবটা মানুষ জানতে পারে না। পরিষেবা তো দূরের কথা, অনেক প্রকল্পের নামও অনেকের কাছে গিয়ে পৌঁছয় না। তার জন্যই এমন হাতে গরম নমুনা আমরা সামনে রাখতে চাইছি।”

তৃণমূলের শীর্ষস্তর থেকে জানানো হয়েছে অনেক ক্ষেত্রে সরকারি কাজের হিসাব মানুষের কাছে থাকে না। সরকার কোনও পরিষেবা দিলেও তার সুফল সবসময় মানুষের কাছে পৌঁছয় না। সরকারি কাজের হিসাব দেওয়া বই মানুষের হাতে থাকলে তারা তা মিলিয়ে দেখে নিতে পারবেন। তা না পেয়ে থাকলে প্রয়োজনে তা চেয়ে নিতে পারবেন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে। দরকারে কৈফিয়তও চাইতে পারবেন। এই বই হাতে পাওয়ার এটাই সুবিধা।

[কেউ কথা রাখেনি, পঞ্চায়েত ভোটের আগে ক্ষোভ মৎসজীবীদের পরিবারের]

কিন্তু তার জন্য ক্লাবগুলোকে পথে নামানো নিয়ে শাসকদলকেই বিদ্ধ করেছেন বিরোধী দলের নেতারা। বিরোধী কংগ্রেস-সিপিএম-বিজেপি একযোগে জানিয়ে দিয়েছেন ক্লাবগুলোর কাছ থেকে এবার প্রতিদান চাইছে শাসকদল। তার জন্যই এমন উদ্যোগ। একের পর এক সমালোচনায় তৃণমূলকে বিদ্ধ করেছে বিরোধীরা। রাজ্য সিপিএমের এক নেতার কথায়, “সরকার এতদিন যা দিয়েছে, এবার তা ফিরিয়ে দেওয়ার পালা। তৃণমূলের টাকায় লালিত-পালিত হয়ে এবার তাদের হয়ে ক্লাবগুলো প্রচারে নামবে এটাই তো স্বাভাবিক।” কংগ্রেস বা বিজেপি এ নিয়ে প্রায় এক সুরেই কটাক্ষ করেছে। দুই দলেরই নেতারা বলছেন, “ক্লাবগুলো এতদিন শাসকদলের কাছ থেকে খেয়েছে। এবার তো তাদের কিছু দিতেই হবে। তাদের হয়ে কাজে লাগতেই হবে।” ফরওয়ার্ড ব্লকের এক রাজ্য নেতাও তির্যক মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের এই উদ্যোগ নিয়ে। তাঁর কথায়, “সরকারি অনুদানের বদলে এবার সরকারি দলের অনুগামী হয়ে কাজ করার পালা। তা তো করতেই হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.