Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mid day meal

পড়ুয়াদের পুষ্টিতে নজর, মিড ডে মিলে বাড়তি ডিম-ফল দেওয়ার উদ্যোগ রাজ্যের

অতিরিক্ত এই পুষ্টিকর খাবারের জন্য পড়ুয়া পিছু ৮ টাকা খরচ করবে রাজ্য সরকার, জারি বিজ্ঞপ্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫, ২১:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫, ২১:৩৯

options
link
পড়ুয়াদের পুষ্টিতে নজর, মিড ডে মিলে বাড়তি ডিম-ফল দেওয়ার উদ্যোগ রাজ্যের zoom

স্টাফ রিপোর্টার: অর্থাভাবের মধ্যেই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শমতো এবার মিড ডে মিলে পড়ুয়াদের বাড়তি ডিম ও ফল খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। অতিরিক্ত এই পুষ্টিকর খাবারের জন্য পড়ুয়া পিছু ৮ টাকা খরচ করবে রাজ্য। চলতি বছরে ৩১ মার্চের মধ্যে এই নিয়ম প্রতিটি স্কুলে বলবৎ করার নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তর।

বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, ডাল, সবজির সঙ্গে বাড়তি পুষ্টি যেমন ডিম, ফল দেওয়াটা জরুরি। স্কুল পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের খরচ কেন্দ্র, রাজ্য উভয়কেই বহন করতে হয়। অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য একাধিকবার কেন্দ্রকে বলেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু মাসদুয়েক আগে কেন্দ্র মিড ডে মিলের জন্য খুবই সামান্য অর্থ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র, যা দিয়ে পুষ্টিকর খাবার তো দূরের কথা, ডাল, সবজি, ভাত দিতেই হিমসিম খেতে হচ্ছে রাজ্যকে। তা সত্ত্বেও রাজ্য বাড়তি পুষ্টির ব্যবস্থা করতে বছরের শুরুতেই মিড ডে মিলে অতিরিক্ত ডিম, ফল যোগ করতে চলেছে। টাকা দেবে স্কুল শিক্ষা দপ্তর। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ‘ফ্লেক্সি ফান্ড’ হিসাবে বরাদ্দ ৭৫৬২.৫৩ লক্ষ টাকা থেকে যে অর্থ উদ্বৃত্ত হয়েছে, সেখান থেকেই পড়ুয়াদের জন্য পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করা হবে।

Advertisement

স্কুল শিক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, রাজ্যের ৮৫ লক্ষ ৯৩ হাজার ৭৮৩ জন পড়ুয়াকে সপ্তাহে দুদিন করে অতিরিক্ত ডিম দিতে হবে, যা একদিন করে দেওয়া হয়। এছাড়াও পুষ্টিকর ফল থাকতে হবে মেনুতে।মিড ডে মিলে বাড়তি পুষ্টি সংযোজনের সময়সীমা পাঁচ সপ্তাহ হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মিড ডে মিলের প্রজেক্ট ডিরেক্টর পারমিতা রায় জানিয়েছেন, ‘‘বাড়তি অর্থ থেকে বাচ্চাদের সাপ্লিমেন্টারি নিউট্রেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই অর্থবর্ষে যে হেতু সময় কম রয়েছে, তাই ১১ দিনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তা পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে ভাগ করা হয়েছে, যাতে প্রতি সপ্তাহে পড়ুয়ারা পুষ্টিকর খাবার পায়।’’ তিনি আরও বলেন, “তৃতীয় ত্রৈমাসিকের শেষে যে টাকা অবশিষ্ট রয়েছে, তা দিয়েই এই সাপ্লিমেন্টারি ফুডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

২০২৪-এর ২৭ নভেম্বর কেন্দ্রীয় শিক্ষা দপ্তরের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, মিড ডে মিলের বরাদ্দ প্রাথমিকে ৭৪ পয়সা এবং উচ্চ প্রাথমিকে ১ টাকা ১২ পয়সা বাড়ানো হচ্ছে। যার ফলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের মাথাপিছু মিড ডে মিলের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৬ টাকা ১৯ পয়সা, যার মধ্যে কেন্দ্র দেবে ৩টাকা ৭১ পয়সা। এর পরে ডিসেম্বরের ফের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তর জানায়, তারা দেবে মাথাপিছু ২ টাকা ৪৮ পয়সা। ফলে উচ্চ প্রাথমিক অর্থাৎ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের মাথাপিছু বরাদ্দ হয়েছে ৯ টাকা টাকা ২৯ পয়সা। এর মধ্যে কেন্দ্র দেবে ৫ টাকা ৫৭ পয়সা এবং রাজ্য দেবে ৩ টাকা ৭২ পয়সা।

তবে রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েও শিক্ষক মহলের বক্তব্য, সারা বছরের জন্য যাতে এই পুষ্টিকর খাবার ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া হয় সেটি নিশ্চিত করা দরকার। পাশাপাশি, সমস্ত বিদ্যালয় এই দায়িত্ব যাতে যথাযথ ভাবে পালন করে, তারও সঠিক নজরদারি প্রয়োজন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.