অরূপ বসাক, মালবাজার: এবার মনোনয়ন তুলে নেওয়ার চাপ দিয়ে সিপিএম প্রার্থীর উপরে প্রাণঘাতী হামলা। হামলার ঘটনা ঘটল নাগরাকাটা ব্লকের চেংমারি চা-বাগানে। হামলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন স্থানীয় সিপিএম প্রার্থী কিশোর টোপ্পো। গুরুতর আহত হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন স্থানীয় সিপিএম নেতা রামলাল মুর্মু। এদিকে হামলার ঘটনাকে ভিত্তিহীন বলেছেন তৃণমূলের নাগরাকাটা ব্লক সবাপতি অমরনাথ ঝা। তাঁর বক্তব্য, নিজেদের মধ্যে ঝামেলা করেছে সিপিএম। এক কথায় গোষ্ঠী কোন্দল। দলের অন্তর্কলহের জেরেই মার খেয়েছেন সিপিএম প্রার্থী। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কর্মী সমর্থক কোনওভাবেই যুক্ত নেই।
[এ যেন উলটপূরাণ, ‘অফিসিয়াল’ প্রার্থীকেই মনোনয়ন তুলতে হুমকি গোঁজের!]
জানা গিয়েছে, মনোনয়ন পর্ব মেটার পর থেকেই নানাভাবে হুমকির আভাস পাচ্ছিলেন কিশোর টোপ্পো। অভিযোগ, বার বার তাঁকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিতে বলা হচ্ছিল। তবে তিনি এই হুমকিতে ভয় পাননি। কোনওরকম প্রতিক্রিয়াও জানাননি আগ বাড়িয়ে। এতেই খেপে যায় হামলাকারীরা। তারপর হামলার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মাফিক শনিবার রাতে কিশোরবাবুর বাড়িতে প্রাণঘাতী হামলা চলে বলে অভিযোগ। প্রথম হামলকারীরা প্রার্থীর বাড়ির উপরে চড়াও হয়। রীতিমতো ভাঙচুর চালানোর পর দরজা ভেঙে কিশোরবাবুকে টেনে বের করা হয়। এরপর শুরু হয় বেধড়ক মারধর। বাঁশ, রড, লাঠির কোনও কিছুই বাদ দেয়নি হামলাকারীরা। কিশোরবাবুর আর্ত চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে হামলাকারীর এলাকা থেকে চম্পট দেয়। ততক্ষণে মারাত্মক জখম হয়েছেন ওই প্রার্থী। এরপর দলীয় কর্মীরাই তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। রাতে এরপর কোনওরকম অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে সকালে নাগরাকাটা থানায় গিয়েছিলেন সিপিএম নেতারা। এদিকে মারধরের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তদন্তে নেমেছে নাগরাকাটা থানার পুলিশ।
[স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই প্রার্থী, ঘরকন্না সামলাচ্ছেন আত্মীয়রাই]
সর্বশেষ খবর
-
বান্ধবীর বাবার ‘যৌন লালসা’র শিকার তরুণী, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত
-
গুলির অবস্থান জানতে ডিজিটাল এক্স রে, ৩ সদস্যের নজরদারিতে বারুইপুরের প্রভাসের ময়নাতদন্ত
-
ভারতীয়দের বিপদ বাড়ছে? এইচ ১বি দুর্নীতিতে ট্রাম্পের ‘সন্দেহভাজন’ তালিকায় কগনিজ্যান্ট!
-
কোথায় হতে পারে ২১ জুলাই পালন? বিকল্প জায়গা জানাতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে ঋতব্রত শিবির
-
হরমুজে জাহাজ চলতে দেওয়া হোক, ট্রাম্পের ‘ভয়ংকর হামলা’র পরই সংযত থাকার বার্তা ভারতের