Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

ভোটযুদ্ধে মুখোমুখি বাবা-ছেলে, উন্নয়নেই ভরসা দু’পক্ষের

পরিবারের সদস্যরা কাকে ভোট দেবেন, ভেবে কূল পাচ্ছেন না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৮, ১৩:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৮, ১৩:৫৭

options
link
ভোটযুদ্ধে মুখোমুখি বাবা-ছেলে, উন্নয়নেই ভরসা দু’পক্ষের zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভোটের যুদ্ধের কাছে হার মানল রক্তের সম্পর্ক। রাজনৈতিক স্বার্থের কাছে পরাজিত পারিবারিক বন্ধন। হার-জিত মিলেমিশে একাকার। পঞ্চায়েত ভোটের একই আসনে প্রার্থী বাবা-ছেলে। দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি ব্লকের বিনশিরা গ্রাম পঞ্চায়েতে এখন জোর চর্চা আরএসপি প্রার্থী বাবা আঙ্গুর লাহা এবং তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ লাহাকে নিয়ে। ভোটাররা তবু রাজনৈতিক রং দেখে ভোট দেবেন। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা। বাবা না ছেলে, কাকে ভোট দেবেন, সেটা ঠিক করতেই হিমশিম খাচ্ছেন।

[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি আসন্ন? সিরিয়ায় একযোগে মিসাইল হানা আমেরিকা, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

একসময় আরএসপির দখলে থাকা এই আসনটি গতবারের পঞ্চায়েত ভোটে সামান্য ব্যবধানে ছিনিয়ে নেয় তৃণমূল। তবে এবারের লড়াইটা আলাদা। পরস্পরের প্রতিপক্ষ বাবা-ছেলে। তবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী দু’পক্ষই। তবে পারিবারিক নয়, রাজনৈতিকভাবেই লড়াই করতে চান দু’জনই। নীতি, আদর্শ-এসবে ভর করেই পার হতে চান ভোট বৈতরণি। আর তার জেরে কার্যত আড়াআড়ি ফাটল ধরেছে পরিবারের অন্দরেও।

আরএসপির দীর্ঘদিনের কর্মী আঙ্গুর লাহা একসময় বিনশিরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। সৎ রাজনৈতিক নেতা ও এলাকার উন্নয়নের কারিগর হিসাবে তাঁর সুনাম রয়েছে বিনশিরা এলাকায়। ২০০৮ থেকে ১৩ সাল পর্যন্ত এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান থাকাকালীন তিনি এলাকার রাস্তাঘাট, পানীয় জল ও বিদ্যুতের প্রচুর উন্নয়ন ঘটিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেন এলাকাবাসী। তাই তিনি এবারের নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত। তিনি বলেন, “প্রধান থাকাকালীন আমি বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় উন্নয়নের কাজ করেছি। সবার কাছেই আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।”

কম যান না ছেলেও। তাঁর দাবি, “বাবা হারবেনই। গত পাঁচ বছরে প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে এখানে। সেই উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই এবারও এই গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূল দখল করবে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও এই গ্রাম সংসদের তৃণমূল প্রার্থী পলি দাস ঘোষ আরএসপি প্রার্থী সীমা ঘোষকে ৭ ভোটে হারিয়েছিলেন। এবারও এই আসনটি তৃণমূলের দখলে থাকবে। এলাকাবাসী অবশ্য বলছেন, ভোটে হার-জিত যারই হোক, আদপে লাহা পরিবারেরই জয় হবে। লাহা বাড়িতে একজন পঞ্চায়েত সদস্য নির্বাচিত হচ্ছেনই। আবার অন্য অংশের মত, ভোটে জয় হলেও, প্রকৃতপক্ষে রক্তের সম্পর্কের হারই হবে। কিছুটা হলেও বাবা-ছেলের দূরত্ব তো বাড়বেই!

[‘ময়ূরাক্ষী’, ঋদ্ধির সাফল্যে আবেগে ভাসল টলিউড]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.