Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

সংরক্ষণের গেরো, প্রধানের আসনেই লড়াই তৃণমূলের বিদায়ী সভাপতির

ভোট বড় বালাই!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০১৮, ১৮:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০১৮, ১৮:৪২

options
link
সংরক্ষণের গেরো, প্রধানের আসনেই লড়াই তৃণমূলের বিদায়ী সভাপতির zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া:  সংরক্ষণের কোপ। তাই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থী। নিয়ম মেনে সংরক্ষণের আওতায় চলে গিয়েছে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির আসন। জেলা পরিষদের আসনেও দাঁড়ানোর সুযোগও ছিল না। তাই পঞ্চায়েতেই ফিরতে হল পুরুলিয়ার ঝালদা এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বুলু মুড়াকে। পাঁচ-পাঁচটি বছর তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন বুলু মুড়া। সেই তাঁকেই গ্রাম পঞ্চায়েত আসনের প্রার্থী হতে দেখে সকলেই অবাক। তবে এই নিয়ে বিদায়ী সভাপতি একেবারে নির্বিকার। তাঁর কথায়, “আমরা রাজনীতি করতে এসেছি। রাজনীতি মানেই মানুষের সেবা। তাই জনপ্রতিনিধি হয়ে কাজটা করার সুযোগ পাচ্ছি কিনা সেটাই বড় কথা। কোন স্তরে কাজ করছি সেটা বড় বিষয় নয়।”

[ভরসা নারীশক্তিতে, কংগ্রেসের গড়ে তৃণমূলের তুরুপের তাস স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জনপ্রিয় নেত্রী]

ঝালদা এক নম্বর ব্লকের ঝালদা-দঁড়দা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পাট ঝালদা গ্রাম। সেই গ্রামের বাসিন্দা বুলু মুড়া। গ্রামে ঢুকলেই বোঝা যায় তৃণমূলের বিদায়ী সভাপতির গ্রাম। চারদিকে শুধু ঘাসফুলের দেওয়াল লিখন। সেই সঙ্গে পতপত করে উড়ছে সবুজ পতাকা। বিরোধীদের না আছে কোনও দেওয়াল লিখন। না আছে কোনও পতাকা। বলা যায়, এখানে শাসকদলের প্রচার একেবারে তুঙ্গে। তবে সভাপতিকে সবসময় তাড়া করে বেড়ায় সংরক্ষণের কোপ। ২০০৩ সালে তিনি পঞ্চায়েত স্তরে প্রার্থী হয়ে এই ঝালদা–দঁড়দা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য হন। তখন অবশ্য তিনি ছিলেন কংগ্রেসে। তারপর তার আসন সংরক্ষিত থাকায় ২০০৮ সালে আর প্রার্থী হননি। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করে সভাপতি বনে যান। তারপর বুলু মুড়া-সহ পঞ্চায়েত সমিতির কংগ্রেসের সাত সদস্য ২০১৫-তে তৃণমূলে যোগ  দেন। এর ফলে ওই সমিতিও তৃণমূল দখল করে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

mura-p-tmc

চলতি পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুলু মুড়ার আসনটি মহিলা সাধারণের জন্য সংরক্ষিত হয়ে গিয়েছে। তাই তিনি আর সমিতিতে লড়তে পারেননি। তাছাড়া সভাপতির আসনও মহিলা সাধারণ। এছাড়া তাঁর এলাকায় জেলা পরিষদ আসনটিও তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত। ফলে সভাপতি বুলু মুড়াকে বাধ্য হয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরেই প্রার্থী হতে হয়। তিনি তাঁর ঝালদা-দঁড়দা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তফসিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত তিন নম্বর আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের আসনটিও তফসিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। তাই দল তাঁকে প্রধান প্রোজেক্ট করেই লড়ছে। সভাপতি থেকে প্রধান! সংরক্ষণের গেরোয় বুলু মুড়া।

ছবি: অমিত সিং দেও

[সমাজসেবার নেশায় পঞ্চায়েতের প্রার্থী মালদহের কোটিপতি সমীর ঘোষ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.