৩ মাঘ  ১৪২৮  সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

বাংলার জিডিপি বাড়ছে, মেনে পরিষেবার তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্রের

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: October 31, 2016 11:05 am|    Updated: October 31, 2016 11:05 am

West Bengal's GDP is increasing

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা ক্ষেত্র থেকে কতটা আয় বাড়ছে? অথবা এই পরিষেবা ক্ষেত্রগুলির আয় রাজ্যের উন্নয়নে কতটা সহায়ক? অথবা পরিষেবা ক্ষেত্রে কত শতাংশ মানুষ জড়িত – এমন বেশকিছু তথ্য জানতে উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক৷ নবান্নে এই মর্মে নির্দেশ এসে পৌঁছেছে৷ সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী দেশের অন্য রাজ্যের মতো রাজ্যের স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল – সহ সব সরকারি ও বেসরকারি  পরিষেবা ক্ষেত্রগুলির উৎপাদন সম্পর্কিত তথ্য জানার পাশাপাশি আয়-ব্যয়ের গতি ও প্রকৃতি জানার কাজ শুরু হচ্ছে৷

পরিকল্পনা ও রূপায়ণ দফতর চলতি বছরের নভেম্বর মাস থেকে আয়-ব্যয়ের নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করছে৷ আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে তথ্যভাণ্ডার সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ পরিকল্পনা-রূপায়ণ দফতরের এক শীর্ষকর্তা এই সমীক্ষা সম্পর্কে বলেছেন, “বেসরকারি পরিষেবা ক্ষেত্রগুলিতে কত মানুষ কাজ করছেন, তা যেমন জানা যাবে, তেমনই রাজ্যের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই সংস্থা কতটা কাজ করবে তাও স্পষ্ট হবে৷”

দায়িত্ব নেওয়ার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের ধাঁচে রাজ্যেও পরিসংখ্যানও কর্মসূচি রূপায়ণ দফতর গঠন করেন৷ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যে গঠিত হয়েছে ব্যুরো অফ অ্যাপ্লায়েড ইকনমিক্স অ্যান্ড স্ট্যাটিটিক্স৷ ওই শীর্ষকর্তা আরও জানিয়েছেন, “আর্থিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও  যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে থেকেও কীভাবে রাজ্যের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বাড়ানো যায় অথবা রাজ্যের বার্ষিক মোট উৎপাদন বাড়ানো যায় তা হাতেকলমে করে দেখিয়েছে রাজ্য সরকার৷”

কেন্দ্রের পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ দফতরের তথ্য বলছে, গত আর্থিক বছরে গোটা দেশের জিডিপির হার যেখানে ৫৮ শতাংশ, সেখানে রাজ্যের জিডিপির হার ৬০ শতাংশ৷ এই তথ্য মেনেছে কেন্দ্র৷ এই অবস্থায় নতুন করে পরিষেবা ক্ষেত্রে উৎপাদন ও আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন কতটা তা জানা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন নবান্নের আধিকারিকরা৷

নবান্ন সূত্রে খবর, সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে অন্তত ২,৬১৯টি সংস্থাকে স্যাম্পল সার্ভের জন্য বেছে নেওয়া হবে৷ কেন্দ্রীয় শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রক থেকে নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্নাবলিও দেওয়া হবে সংস্থাগুলিকে৷ পাশাপাশি ওই সংস্থাগুলিরবার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও ব্যালান্স শিটও চাওয়া হবে৷ সংস্থাগুলি যে তথ্য দিচ্ছে তা যাচাই করার জন্য অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউণ্টসেরও সাহায্য নেবে রাজ্য সরকার৷

দফতরের আরেক শীর্ষকর্তার কথায় এই ২,৬১৯টি সংস্থার সিংহভাগই কলকাতায়৷ এরপরই রয়েছে হাওড়া জেলা৷ ন্যাশান্যল স্যাম্পল সার্ভে প্রতিবছর এমন সমীক্ষা করে সমস্ত ক্ষেত্রে কিন্তু শুধুমাত্র পরিষেবা ক্ষেত্রের উপর দেশব্যাপী এমন সমীক্ষা বস্তুত নতুন বলেই জানিয়েছেন ব্যুরো অফ অ্যাপ্লায়েড ইকনমিক্স অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিক্সের আধিকারিকরা৷ তাঁদের বক্তব্য, এই উদ্যোগের সুফল এখনই পাওয়া যাবে না৷ তবে পরিষেবা ক্ষেত্র থেকে কত মানুষ আয় করেন বা কত মানুষ যুক্ত আগামী বছরই সে সম্পর্কে ধারণা মিলবে৷

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে