স্টাফ রিপোর্টার, বারাসত ও কলকাতা: জেলা সম্পাদকের দাবিদার নিয়ে চরম গোষ্ঠীকোন্দল উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সিপিএমে। নয়া জেলা সম্পাদক হিসাবে তিন গোষ্ঠী তাদের পছন্দের তিনজনের হয়ে সওয়াল করছে বলে খবর। পুরনো জেলা সম্পাদক ছিলেন মৃণাল চক্রবর্তী। তাঁকে এবারও পদে বহাল রাখতে অসুস্থ শরীর নিয়েও সম্মেলনে হাজির গৌতম দেব। নতুন সম্পাদক কে হবেন? তা নিয়ে চরম কোন্দল সামনে চলে এসেছে উত্তর ২৪ পরগনা সিপিএমে।
শুক্রবার বারাসতে অনুষ্ঠিত হওয়া জেলা সম্মেলনের প্রথম দিনেই বর্তমান জেলা সম্পাদককে বদলের দাবিতে অশান্তির সূত্রপাত হয়েছিল। জেলা সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তী নিষ্ক্রিয়। ফলে জেলায় দলের সক্রিয়তা নেই। তাই অবিলম্বে মৃণালকে বদল করতে হবে। এই দাবি তুলে সরব হন সম্মেলনে উপস্থিত প্রতিনিধিদের একাংশ। আর গতকাল শনিবার সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনেও সম্পাদক বদল নিয়ে পরিস্থিতি তপ্ত ছিল। মৃণালের বদলে রাজ্য কমিটির সদস্য তথা উত্তর ২৪ পরগনার নেতা পলাশ দাসকে জেলা সম্পাদক করার জন্য দাবি ওঠে সেদিন। সায়নদীপ মিত্র থেকে আহমেদ আলি খানরা এই দাবি তোলেন।
আবার অন্য একটি গোষ্ঠী চাইছে, জেলার পরিচিত মুখ সোমনাথ ভট্টাচার্যকে সম্পাদক করতে। এসএফআইয়ের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিও ছিলেন সোমনাথ ভট্টাচার্য। সূত্রের খবর, গার্গী চট্টোপাধ্যায়-সহ আরও কয়েকজন নেতা-নেত্রী সোমনাথের পক্ষে সওয়াল করেছেন। এরই মধ্যে আবার প্রাক্তন যুবনেতা সায়নদীপ মিত্রকে সম্পাদক করার দাবি তুলেছেন প্রাক্তন বিধায়ক মানস মুখোপাধ্যায়। সায়নদীপের আত্মীয় মানস মুখোপাধ্যায়। আর বর্তমান জেলা সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তীকে সম্পাদক পদে বসিয়েছিলেন প্রাক্তন সম্পাদক গৌতম দেবই। ফলে সেখানেও দ্বন্দ্ব স্পষ্ট।
শনিবার হুইল চেয়ারে হাজির ছিলেন গৌতম দেব। এখন দেখার, সম্পাদক পদে বদল আনবে আলিমুদ্দিন? নাকি মৃণালকেই রেখে দেওয়া হবে। এই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন সন্দেশখালির সিপিএম নেতা নিরাপদ সর্দারও।
সর্বশেষ খবর
-
জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন খোশগল্প, করমর্দনে মেতে রাহুল! ‘অবমাননা’র ভিডিও শেয়ার করল বিজেপি
-
প্রধান বিচারপতির বিরোধিতা, মিলবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি! নির্দেশ দিয়েও পিছু হঠল বার কাউন্সিল
-
সকালে নির্মল, রাতে গ্রেপ্তার সঞ্জীব, ‘৫ বছর আগে এমন মুখ্যমন্ত্রী থাকলে…’, শুভেন্দুকে কুর্নিশ অভয়ার মায়ের
-
উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গে জলস্রোতে ভেসে, ধস নেমে মৃত ৭, এখনও ভিতরে আটকে ৩ শ্রমিক
-
ফ্ল্যাট কেনার শখ, বাবার থেকে ২ লক্ষ টাকা নেন এনআরএসের মৃত নার্স! মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুবিচার চাইছে পরিবার