২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: দূরপাল্লার ট্রেনে একাই সফর করছিলেন এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা। জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি স্টেশনের কাছে চলন্ত ট্রেনে সন্তান প্রসব করলেন তিনি। খবর পাওয়ামাত্রই ওই মহিলা ও সন্তানের চিকিৎসার ব্যবস্থা করল রেল। মা ও সদ্যোজাত দু’জনেই সুস্থ আছে বলে জানা গিয়েছে।

[তিনদিন গলায় আটকে মাংসের হাড়, মহিলাকে বাঁচাল সিউড়ির হাসপাতাল]

জানা গিয়েছে, আগরতলা থেকে আগরতলা-হবিবগঞ্জ এক্সপ্রেসে উঠেছিলেন রিংকু নামে এক মহিলা। তাঁর গন্তব্য ছিল, বিহারের নওদা। ট্রেনের অংসরক্ষিত কামরায় একাই ছিলেন তিনি। দূরপাল্লার এই ট্রেনটির জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি স্টেশনে স্টপেজ নেই। নিউ কোচবিহার স্টেশন ছাড়ার পর ফের নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে দাঁড়ায় আগরতলা-হবিবগঞ্জ এক্সপ্রেস। আগরতলা-হবিবগঞ্জ এক্সপ্রেসের গার্ড শংকর প্রসাদ জানিয়েছেন, রবিবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ সিগন্যাল না মেলায় ধূপগুড়ি স্টেশনের কাছে ট্রেন থামাতে হয়। তখন অংসরক্ষিত কামরার যাত্রীরা জানান, চলন্ত ট্রেনে সন্তান প্রসব করেন রিংকুদেবী। তড়িঘড়ি ধূপগুড়ির স্টেশন মাস্টারকে খবর পাঠান দূরপাল্লার ওই ট্রেনের গার্ড।

রেলের উদ্যোগে আগরতলা-হবিবগঞ্জ এক্সপ্রেসের অসংরক্ষিত কামরায় পৌঁছে যান স্থানীয় চিকিৎসক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রসব হয়ে গেলেও, সদ্যোজাতের নাড়ি তখনও মায়ের দেহের সঙ্গেই জোড়া ছিল। নাড়ি কেটে রিংকুদেবী ও সদ্যোজাত সন্তানকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ইঞ্জেকশন দেন ময়নাগুড়ির ওই চিকিৎসকই। এরপর মা ও সদ্যোজাতকে নিয়ে ফের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয় আগরতলা-হবিবগঞ্জ এক্সপ্রেস। রেল সূত্রে খবর, নিউ কোচবিহার স্টেশনে যখন ট্রেন থামে, তখন রিংকুদেবী ও তাঁর সন্তানের পরিচর্যা করা হয়। দু’জনে সুস্থই আছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে রিংকুদেবীর সঙ্গে ট্রেনে আরও কেউ না থাকায় কিছুটা সমস্যা হয়। 

[ ধুঁকছে যাত্রা শিল্প, পুনরুদ্ধারে নিজেরাই দল গড়লেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং