Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
আটক অ্যাম্বুল্যান্সে সন্তান প্রসব

ব্যাপক যানজটে নাস্তানাবুদ, অ্যাম্বুল্যান্সেই সন্তান প্রসব মহিলার

ট্রাফিক পুলিশের অমানবিকতায় হতবাক পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২০, ১২:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২০, ১২:১১

options
link
ব্যাপক যানজটে নাস্তানাবুদ, অ্যাম্বুল্যান্সেই সন্তান প্রসব মহিলার zoom

দেবব্রত মণ্ডল, বাসন্তি : ফের অ্যাম্বুল্যান্স বিভ্রাট। যানজটে প্রায় দেড়ঘণ্টা আটকে রইল অ্যাম্বুল্যান্স। ভিতরে তখন যন্ত্রণায় ছটফট করছেন অন্ত্বঃসত্তা। শেষপর্যন্ত মাঝরাস্তায় অ্যাম্বুল্যান্সের একফালি জায়গাতেই প্রসব করলেন ওই মহিলা। ঘটনাস্থল ক্যানিং বাজার। ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে।    

পরিবার সূত্রের খবর, প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে জীবনতলা থানা মঠেরদীঘি হাসপাতালে ভর্তি হয় সানারা মোল্লা। সেখানে ওই মহিলার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। তাই তাঁকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঠেরদীঘি থেকে অ্যাম্বুল্যান্স করে ক্যানিং আসার পথে বিপত্তি ঘটে। জানা গিয়েছে, ক্যানিং বাজারে মধ্যে ভিড়ে অ্যাম্বুল্যান্সটি আটকে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ওই যানজটে আটকে থাকে অ্যাম্বুল্যান্সটি। এমনকী সামনে ট্রাফিক পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকলেও কোনও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় নি বলেও পরিবারের অভিযোগ। শেষে ওই গাড়িতেই প্রসব করেন সানারা। এরপর সন্তান ও মাকে তড়িঘড়ি ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে পরিবার এবং চিকিৎসক জানান, মা ও সন্তান উভয়েই সুস্থ রয়েছে। এদিকে পুলিশের এমনই অমানবিক রূপ দেখে হতবাক পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, অ্যাম্বুল্যান্সের সামনেই ছিলেন এক ট্রাপিক সার্জেন্ট। তাঁর কাছে সাহায্যের আবেদন চেয়েও কোনও লাভ হয়নি। এমনকী যানজট সরিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সটিকে আগে ছেড়ে দিতে অনুরোধ জানালেও কোনও লাভ হয়নি। সানারার পরিবারের সদস্যদের প্রশ্ন, অ্যাম্বুল্যান্সে থাকাকালীন সানারা ও সদ্যোজাতর প্রাণ সংশয় হলে, তার দায় কে নিত?

Advertisement

[আরও পড়ুন : গঙ্গাসাগরে পুণ্যার্থীদের ঢল, নিরাপত্তার চাদরে মুড়ল মেলা প্রাঙ্গন]

প্র্রসঙ্গত, কৃষ্ণনগরে গেরুয়া শিবিরের মিছিলে অ্যাম্বুল্যান্স আটকে পড়ে। দিন কয়েক আগে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে সভায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বক্তব্য রাখছিলেন। এমন সময় একটি অ্যাম্বুল্যান্স সভাস্থলের কাছাকাছি এসে পৌঁছয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই অ্যাম্বুল্যান্সে সেই সময় রোগী ছিলেন। তবে সভার জেরে এলাকায় তীব্র যানজট হওয়ায় রাস্তা দিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছিল না। সভায় যোগদানকারী কেউ ওই অ্যাম্বুল্যান্সটিকে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেনি। অ্যাম্বুল্যান্স আটকে পড়ার ঘটনাটি নজর এড়ায়নি বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষেরও। তবে তা সত্ত্বেও অ্যাম্বুল্যান্স যাওয়ার জন্য রাস্তা করে দেওয়ার কোনও উদ্যোগ নেননি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.