২৯ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রিন্টু ব্রহ্ম, কালনা: সোনার হার ছিনিয়ে নিয়ে ধরা পড়ার পর আত্মরক্ষার্থে তা গিলে ফেলে বিপাকে চোর৷ মহিলাকে পাকা কলা খাইয়ে সোনার হারটি বের করার চেষ্টায় মরিয়া পুলিশ৷ মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর এলাকায় বুড়োরাজের মন্দির থেকে এক মহিলার গলার হারটি ছিনিয়ে নেন আরেক মহিলা দুষ্কৃতী৷ সঙ্গে সঙ্গেই ধরা পড়ে যায় সে৷ তাকে ধরে স্থানীয়রা পুলিশের হাতে তুলে দেন৷ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করেছে। কিন্তু সোনার হার উদ্ধার কীভাবে হবে, তা নিয়ে মহা বিড়ম্বনা দেখা দিয়েছে। সূত্রের খবর, শেষ পর্যন্ত পাকা কলায় আস্থা রাখছে পুলিশ। ওই মহিলা দুষ্কৃতীকে প্রচুর পরিমাণ পাকা কলা খাওয়ানো শুরু করেছে।আশা, তাতেই না কি মলদ্বার দিয়ে বেরিয়ে যাবে সোনার হার। তাই নজর রাখতে হচ্ছে মহিলার বিষ্ঠাতেও।

[আরও পড়ুন: ডেঙ্গুর মরণকামড় হাবড়ায়, আক্রান্ত ৫০০র বেশি]

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার জামালপুরে। পুলিশি জেরায় ধৃত মহিলা দাবি করেছে, তার নাম গীতা ঘোষ। বাড়ি পূর্বস্থলির হাতিবাগানে। যদিও এই নাম, ঠিকানা সঠিক নয় বলে তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। ধৃতকে মঙ্গলবার কালনা আদালতে পেশ করে ২ দিনের হেফাজতে নিয়ে সোনার হারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে৷ মহিলার সমস্ত শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। করানো হয়েছে এক্স-রে। আদালতে তদন্তকারী অফিসার সাব ইনস্পেক্টর প্রদীপকুমার ঘোষ জানিয়েছেন, মহিলার তলপেটে কোনও এক পার্টিকলের উপস্থিতি রয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার ন্যাশনাল পাড়ার বাসিন্দা পূরবী চক্রবর্তী সোমবার তাঁর স্বামীর সঙ্গে নিয়ে জামালপুরে বুড়োরাজ মন্দিরে গিয়েছিলেন। মন্দির চত্বরে আচমকাই তাঁর গলার সোনার হারটি কেউ ছিনিয়ে নেয় বলে বুঝতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পিছন দিকে ঘুরে দেখেন, এক মহিলা সোনার হারটি মুখে গিলে নিচ্ছে। তিনি ওই মহিলাকে চেপে ধরেন। স্থানীয়রাও জড়ো হন। তাঁকে সকলে চেপে ধরতে সে স্বীকারও করে সোনার হার গিলে ফেলার কথা। খবর পেয়ে পূর্বস্থলি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। গ্রেপ্তার করা হয় ওই মহিলাকে।পূরবীদেবী পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: পরিবারকে সবরকম সহায়তার আশ্বাস, একুশীকে দেখতে হাসপাতালে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ]

ধৃতের আইনজীবী অতনু হাজরা দাবি করেছেন, পুলিশ এক্স-রে করানোর কথা জানালেও সেই সংক্রান্ত কোনও রিপোর্ট আদালতে পেশ করেনি। পুলিশের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলার পেটে একাধিক সোনার হার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার রাত থেকেই ধৃতকে প্রচুর সংখ্যায় কলা খাওয়ানো হচ্ছে। নজর রাখা হচ্ছে তিনি শৌচাগারে গেলেও। মলের সঙ্গে সোনার হার বেরিয়ে যাবে, এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা।পুলিশের দাবি, সোনার হার গিলে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে ওই মহিলা৷ 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং