Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Nabanna

পুজোর আগেই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র টাকা পাবেন মহিলারা, দ্রুত কাজ সারার নির্দেশ প্রশাসনের

'লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে'র সুবিধা পেতে প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১, ০৯:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১, ০৯:০৭

options
link
পুজোর আগেই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র টাকা পাবেন মহিলারা, দ্রুত কাজ সারার নির্দেশ প্রশাসনের zoom

মলয় কুণ্ডু: পুজোর আগেই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর টাকা পাবেন রাজ্যের মহিলারা। যে সমস্ত আবেদন জমা পড়েছে, দ্রুত তা খতিয়ে দেখার কাজ শেষ করা হবে। নবান্ন সূত্রে খবর, বুধবার অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফার ‘দুয়ারে সরকার’ (Duare Sarkar)শিবিরের কাজ শেষ হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পে সরকারি পরিষেবা নিয়েছেন প্রায় চার লক্ষের কাছাকাছি রাজ্যের বাসিন্দা। যার মধ্যে সব থেকে বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে। তারপরই ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পে জমা পড়া আবেদনপত্রের সংখ্যা। ‘খাদ্যসাথী’ এবং জাতিগত শংসাপত্র নেওয়ার ক্ষেত্রেও বহু সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে।

গত ১৬ আগস্ট থেকে রাজ্যে শুরু হওয়া ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের কাজ বুধবার শেষ হয়েছে। মোট ৯২ হাজার ৪৮টি শিবির করার কথা ছিল। যার মধ্যে ৯১ হাজার ৯০৩টি শিবির করা হয়েছে। শিবিরে এসেছেন ৩ কোটি ৫৮ লক্ষ ৭৪ হাজার ৭৯১ জন। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’ আবেদন জমা দিয়েছেন ১ কোটি ৭৯ লক্ষ ২৬ হাজার ৩৬৮টি। এর পরেই রয়েছে ‘স্বাস্থ্যসাথী’র (Swasthyasathi) আবেদনের সংখ্যা, ৬৪ লক্ষ ৩১ হাজার ৯৫১। গতবার এই ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। এবার ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ শুরু হয়েছে। তাই তাতে আবেদনের সংখ্যা এবার সবচেয়ে বেশি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা কেন? মুখ খুললেন অর্পিতা ঘোষ, জোর চর্চা বালুরঘাটে]

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আগেই জানিয়েছিলেন, ১ সেপ্টেম্বর থেকেই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের টাকা পাবেন রাজ্যের মহিলারা। সেক্ষেত্রে এসসি, এসটি বা ওবিসি’রা পাবেন এক হাজার টাকা করে এবং সাধারণ মহিলাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে পাঁচশো টাকা। পুজোর আগেই যাতে রাজ্যের মহিলারা এই আর্থিক সাহায্য পেয়ে যান, তার জন্য প্রশাসনিক আধিকারিকদের নির্দেশও দেন তিনি। আবেদনপত্র জমা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছিলেন সরকারি কর্মীরা। এবার সেই কাজে আরও গতি আনা হচ্ছে। যাতে পুজোর আগেই তা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছনোর কাজ শুরু করা সম্ভব হয়।

[আরও পড়ুন:  নিয়োগে স্বচ্ছতা আনতে প্রকাশ করা হবে TET-এর উত্তরপত্র, পুজোর আগেই ফলপ্রকাশের সম্ভাবনা]

‘দুয়ারে সরকার’ শিবির থেকে ১৮টি প্রকল্পের পরিষেবা পান রাজ্যের মানুষ। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ও ‘স্বাস্থ্যসাথী’র পরই রয়েছে ‘খাদ্যসাথী’র আবেদনের সংখ্যা। এর জন্য আবেদন জমা পড়েছে ২৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০৭টি। তারপর রয়েছে জাতি শংসাপত্রের আবেদন, ২৭ লক্ষ ৮৬ হাজার ৮৯৪টি। বিনামূল্যে শ্রমিক সুরক্ষা যোজনাতে জমা পড়েছে ২৪ লক্ষ ৩২ হাজার ৯৫৭টি আবেদন। দ্রুত এই সমস্ত পরিষেবা মানুষ পাবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.