চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়: আনলক ওয়ানে একাধিক নিয়মের বেড়াজালের মধ্যেই প্রায় তিনমাস পর খুলেছে শহর ও জেলার একাধিক শপিংমল। স্বাভাবিকভাবেই ভিড় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছেই। সেই কারণে অভিনব উদ্যোগ নিল বেশ কয়েকটি শপিংমল কর্তৃপক্ষ। ভিড় কমাতে প্রবেশ মূল্য ধার্য করা হল ১০০ টাকা।
করোনা সংক্রমণ রুখতে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ ছিল রাজ্যের সমস্ত শপিংমল। বর্তমানে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করায় শপিংমলগুলি খোলার ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে সরকার। তবে সেক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম মানতেই হবে কর্তৃপক্ষ ও ক্রেতাদের। কিন্তু নিয়ম মানলেও তিনমাসের ব্যবধানে শপিংমল খোলায় ভিড় হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ, শপিংমল মানেই যে শুধু কেনাকাটা, তা তো নয়। উইন্ডো শপিং করতেও বহু মানুষ, মূলত নেটিজেনরা হাজির হয় মলগুলোতে। সেক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হতে পারে। সেইদিক মাথায় রেখেই আসানসোল ও নরেন্দ্রপুরের বেশ কিছু শপিংমলে ধার্য করা হয়েছে প্রবেশ মূল্য। জানা গিয়েছে, আসানসোলের শপিংমলটির ক্ষেত্রে প্রবেশের সময় যে ১০০ টাকা দিতে হচ্ছে, কেনাকাটা করলে সেখান থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে ওই অর্থ। এভাবেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও সংক্রমণ রোখা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: ইলিশ শিকারে এ মাসেই সমুদ্রযাত্রায় পাড়ি মৎস্যজীবীদের, রুপোলি শস্যের খরা কাটার আশা]

তবে শুধুই ভিড় নিয়ন্ত্রণে জোর দেওয়াই নয়, এছাড়াও ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের স্বার্থে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে মল কর্তৃপক্ষগুলি। প্রবেশের আগেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে প্রত্যেকের। প্রবেশের পর যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাঁর জন্য রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। এছাড়াও স্যানিটাইজ করা হয়েছে এসকেলেটর, টয়লেট থেকে শুরু করে প্রতিটি জায়গা। লিফটে প্রবেশের ক্ষেত্রেও বেঁধে দেওয়া হয়েছে সংখ্যা। সবমিলিয়ে বলাই যায় যে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তবেই ক্রেতাদের জন্য দ্বার খুলেছে মল কর্তৃপক্ষ।
[আরও পড়ুন: ‘পরিযায়ীদের আমিনিয়ার বিরিয়ানি দেব?’ শতাব্দীর পর ফের বেফাঁস মন্তব্য তৃণমূল বিধায়কের]
সর্বশেষ খবর
-
‘বাস্তবতা বদলানো যায় না’, এলএসি সংলগ্ন ২৭টি এলাকার নামবদলে চিনকে কড়া বার্তা ভারতের
-
দলের স্ট্র্যাটেজিতে হাত নেই, কাজ শুধু টিকিট বুকিং! ফেডারেশনকে বিঁধে বাজাজ বললেন, ‘শেম অন ইউ’
-
নেতাজির নামে বিধায়ক সেবা কেন্দ্র, বির্তকের মাঝেই বড় ঘোষণায় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মুখ্যমন্ত্রীর
-
জাতীয় সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে সিকিমের একমাত্র মেয়ে, বাইচুং কন্যাই যেন শিবরাত্রির সলতে
-
আন্তর্জাতিক যুব দিবস: সাফল্যের দৌড়ে হাঁপিয়ে উঠছে তরুণ মন! কেন দরকার ‘ইমোশনাল সেফটি’?