Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

১০০ টাকার জন্য বিবাদে যুবককে পিটিয়ে খুন, অভিযুক্তদের বাড়ি ভাঙচুর চাকদহে

ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে চাকদহর যশরা এলাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৮, ১৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৮, ১৯:৫৩

options
link
১০০ টাকার জন্য বিবাদে যুবককে পিটিয়ে খুন, অভিযুক্তদের বাড়ি ভাঙচুর চাকদহে zoom
প্রতীকী ছবি।

বিপ্লব দত্ত, কৃষ্ণনগর: প্রতিবেশী এক যুবককে দেওয়া একশো টাকা চাওয়া নিয়ে বিবাদের সূত্রপাত। সেখান থেকে হাতাহাতি। যা পৌঁছে যায় চরম পর্যায়ে। শেষমেষ মদ্যপ কয়েকজন যুবকের হাতে অমানবিক মার খেয়ে মৃত্যু হয় এক যুবকের। যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই রণক্ষেত্রের চেহারা নদিয়ার চাকদহ থানার যশরা এলাকা। যার মধ্যে রাজনৈতিক রংও লাগে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত চাকদহ থানার কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম সঞ্জিত মণ্ডল (৩৫)। তার বাড়ি চাকদহ থানার যশরা গোঁসাই কলোনিতে। পেশায় নির্মাণকর্মী সঞ্জিতের বাড়িতে রয়েছেন তাঁর মা নয়নতারা মণ্ডল। সঞ্জিতের দাদা অনেকদিন আগেই মারা গিয়েছেন। পাশেই বিধবা বউদি ছেলে ও মেয়ে নিয়ে থাকেন। কিছুটা দূরে থাকে সঞ্জিতের ভাইঝি পিংকি দাস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[পুরুলিয়ায় পরপর ২ বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু, সরানো হল পুলিশ সুপার জয় বিশ্বাসকে]

ঘটনা গত ২৬ মে শনিবার রাতের। খৈনি কিনতে যাচ্ছেন বলে বাড়ি থেকে সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিলেন সঞ্জিত। বেশ কিছুক্ষণ পরে খবর পাওয়া যায়, কাছেই একটি মাঠে সঞ্জিতকে বেধড়ক মারধর করে কয়েকজন ফেলে রেখে গিয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাঠে পড়েছিলেন তিনি। হাত দুটো পিছন দিকে বাঁধা। একটি চোখ খোবলানো। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সঞ্জিতকে প্রথমে চাকদহ হাসপাতালে ও পড়ে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সাতদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শুক্রবার সন্ধ্যেয় মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন সঞ্জিত। ঘটনার রাতে এলাকায় সেই খবর পৌঁছতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন স্থানীয়রা। সঞ্জিতকে মারধরের ঘটনায় পল্লব রায় ও টুবাই পাল নামে ওই এলাকার দুজনের নামে অভিযোগ দায়ের হলেও পুলিশ তাদের ধরেনি। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা পল্লবের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে পলাতক ওই দুই অভিযুক্ত।

ওই রাতেই সঞ্জিতের বাড়ি থেকে খানিক দূরে একদল লোক স্বপন দাস নামে একজনের বাড়িতে চড়াও হয়। স্বপন দাসকে না পেয়ে তার বাড়ির ঠাকুর ঘর ও পাটের গুদামে আগুন ধরিয়ে দেয় এলাকার লোকজন। স্বপন দাসের স্ত্রী অনামিকা দাস বর্তমানে চাকদহ শহর মহিলা তৃণমূলের সভাপতি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সঞ্জিতের খুনের পেছনে জড়িত স্বপন দাসের লোকজন। এদিকে অনামিকা দাসের পালটা অভিযোগ, “ইদানিং আমাকে চাকদহ শহর মহিলা তৃণমূলের সভাপতি করা হয়েছে। সেই আক্রোশে আমার স্বামী ও দেওর প্রদীপ দাসকে তাপস অধিকারীর লোকজন মারতে এসেছিল। ওদের না পেয়ে বাড়িতে আগুণ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।” স্থানীয় কাউন্সিলর তাপস অধিকারী এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি সেই সময় বাড়িতেই ছিলাম না। কী জন্য আমি এসব করতে যাব? আমি বা আমার কোনও লোকজন এই ঘটনায় জড়িত নন।”

[আগামী বছর থেকেই ফিরছে পাশ-ফেল প্রথা, কলকাতায় জানালেন জাভড়েকর]

সঞ্জিতের ভাইঝি পিংকি জানিয়েছে, পল্লব নামের এক ব্যক্তির কাছে একশো টাকা পেতেন তার কাকা। সে টাকা চাইতে গেলে সঞ্জিতের সঙ্গে পল্লব নামে একজনের মাঠে ঝগড়া হয়। হাতাহাতিও হয়। সঞ্জিতের মা নয়নতারা মণ্ডল অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। পুলিশের একটি সূত্র বলছে, রাস্তায় ঠিকভাবে সাইকেল না রাখা নিয়ে মদ্যপ যুবকদের সঙ্গে বচসার জেরে ওই যুবকেরা বেধড়ক পেটায় সঞ্জিতকে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হলেও শনিবার বিকেল অবধি কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.