Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Arvind Kejriwal

করোনা আক্রান্ত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

কেমন আছেন আপ সুপ্রিমো?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২২, ১২:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২২, ১২:১২

options
link
করোনা আক্রান্ত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত দিল্লির মুখ্যমমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। রয়েছেন হোম আইসোলেশনে। নিজেই টুইট করে একথা জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে একটি টুইট করেছেন তিনি। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ”আমি কোভিড পজিটিভ। মৃদু উপসর্গ। বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছি। যাঁরা গত কয়েক দিনে আমার সংস্পর্শে এসেছেন দয়া করে নিজেদের আইসোলেট করে রাখুন এবং পরীক্ষা করিয়ে নিন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: কলকাতায় মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বেড়ে ২৫, চালু হচ্ছে ৩ সেফ হোমও]

উল্লেখ্য, সামনেই উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন। এই পরিস্থিতিতে সব দলই শেষ মুহূর্তের প্রচার চালাচ্ছে। আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো কেজরিওয়ালও দলের হয়ে প্রচার করতে গত ২ দিন উপস্থিত ছিলেন সেখানে। গত রবিবার লখনউয়ে নির্বাচনী জনসভা করেন তিনি। সেখানে বিজেপি ও সমাজবাদী পার্টিকে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।  এরপর সোমবার দেরাদুনে দলের ‘নবপরিবর্তন সভা’তেও অংশ নিয়েছিলেন কেজরিওয়াল।

[আরও পড়ুন: দিল্লি, মুম্বই, কলকাতার মতো বড় শহরে ওমিক্রন আক্রান্তের হার ৭৫%! চাঞ্চল্যকর দাবি বিশেষজ্ঞর]

এদিকে করোনা আক্রান্ত দিল্লির বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারিও। তাঁর মৃদু উপসর্গ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তিনি দ্বিতীয় বার করোনা আক্রান্ত হলেন। পাশাপাশি সপরিবার করোনায় আক্রান্ত বাবুল সুপ্রিয়ও (Babul Supriyo)। নিজেই টুইটে এই খবর জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা।

ইতিমধ্যেই কোভিড টাস্ক ফোর্সের চেয়ারম্যান ডাক্তার ডি কে আরোরার (Dr. DK Arora) বক্তব্য, ভারতে তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গিয়েছে। মুম্বই (Mumbai), দিল্লি ও কলকাতার মতো বড় শহরগুলির ৭৫ শতাংশ কোভিড রোগীই অতি সংক্রামক করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন।

সোমবার কোভিড টাস্ক ফোর্সের চেয়ারম্যান বলেন, “ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে দেশে প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের খবর মিলেছিল। পরের সপ্তাহে দেশে ১২ শতাংশ ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মেলে। গত সপ্তাহে হিসেবটা ছিল ২৮ শতাংশ। এতএব, বোঝাই যাচ্ছে ওমিক্রন দ্রুত হারে বাড়ছে গোটা দেশজুড়ে।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.