Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bangladesh

ব্যালটে মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধীদের জবাব, রাজাকারদের ক্ষমা করেনি বাংলাদেশ!  

বাংলাদেশ ব্যালটে মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধীদের সাধ্যমতো জবাব দিয়েছে। এটাই এই নির্বাচন যজ্ঞের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৭:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৭:১৭

options
link
ব্যালটে মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধীদের জবাব, রাজাকারদের ক্ষমা করেনি বাংলাদেশ!   zoom
নির্বাচনের জয়ের পরে তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত।

দেড় বছর বাদে বাংলাদেশে একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পথ প্রশস্ত হওয়ায় স্বস্তির হাওয়া ভারতেও। বাংলাদেশের ভোটে যে ফল হয়েছে তাকে মোটেও অপ্রত্যাশিত বলা চলে না। ভোটে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে। আওয়ামির অনুপস্থিতিতে যে ভোটে বিএনপি-র বড় জয় মিলবে তা নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলে কোনও সংশয় ছিল না। তবুও বাংলাদেশের কিছু কিছু মহল থেকে প্রচার চালানো হচ্ছিল যে জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন ১১ দলের জোটেরও ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে জামাত জোটের কার্যত ভরাডুবি ঘটেছে। তাদের ছাতার তলায় কট্টর ভারত-
বিরোধী শক্তিগুলির সমন্বয় ঘটেছিল। ফলে জামায়াতে ও তার শরিকরা ভালো ফল করলে তা ভারতের পক্ষে উদ্বেগের হতে পারত। তেমনটা ঘটেনি বলেই বাংলাদেশের ফলে আপাতত চিন্তামুক্ত ভারত। বাংলাদেশের ‘মুক্তিযুদ্ধ’র বিরোধিতা করেছিল জামায়াতে। পাকিস্তানপন্থী রাজাকারদের এই দলকে যে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এখনও অতীত পাপের জন্য যে ক্ষমা করতে পারে না, তা এই ভোটের ফলে আরও একবার প্রমাণিত।

Advertisement
খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে চলেছেন। ছবি: সংগৃহীত।

জামাতের জোটে ছিল শেখ হাসিনা-বিরোধী জুলাই অভ্যুত্থানের সংগঠক ছাত্রনেতাদের দল এনসিপি। তারা হাসিনার অপশাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মঞ্চকে ব্যবহার করেছিল ভারত-বিরোধী জিগির তোলার কাজেও। শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতাড়নের পর এইসব তথাকথিত ছাত্রনেতা এবং ধর্মান্ধ জামাত ও একদা রাজাকাররা বাংলাদেশে নৈরাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিল। তারা বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভেঙেছিল। বাড়ি ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছিল। সমাজমাধ্যমে বাংলাদেশের যেসব ছাত্রনেতাকে অহরহ ভারত-বিরোধী মন্তব্য করতে দেখা যেত, তাঁরা ভোটে পর্যুদস্ত।

‘বঙ্গবন্ধু’র দলকে ভোটে লড়তে না দেওয়া হলেও, বাংলাদেশিরা ব্যালটে এই মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধীদের সাধ্যমতো জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এটাই এই নির্বাচন যজ্ঞের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা। বিএনপির নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সুস্থিতি ফিরবে বলে আশা করা যায়। দলের চেয়ারম্যান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে চলেছেন। তিনি ভোটপ্রচারে ভারত বিরোধী কোনও মন্তব্য করা থেকে নিজেকে বিরত রেখেছিলেন। ফলপ্রকাশের পরও বিএনপির পক্ষ থেকে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

তবে জামাত জোটের কার্যত ভরাডুবি ঘটেছে। তাদের ছাতার তলায় কট্টর ভারত-
বিরোধী শক্তিগুলির সমন্বয় ঘটেছিল।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার সীমান্ত। একথা মাথায় রেখে সবসময় ভারতকে পদক্ষেপ করতে হয়। অতীতে তারেকের মা খালেদা জিয়ার আমলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে কিছু শীতলতা তৈরি হয়েছিল। তখন খালেদার সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল জামাত। এবারের পরিস্থিতি অবশ্য ভিন্ন। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফের উষ্ণতা ফিরবে বলে প্রত্যাশা করাই যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.