Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
War Economy

মৃত্যুর ব্যাপারী! বিশ্বজুড়ে অস্ত্র বেচেই চাঙ্গা আমেরিকার অর্থনীতি

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যে মার্কিন অর্থনীতি ধুঁকতে শুরু করেছিল, এখন তা ফের চাঙ্গা দেশ ও পৃথিবীময় যুদ্ধাস্ত্রের জোগান বাড়িয়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৬:২৪

options
link
মৃত্যুর ব্যাপারী! বিশ্বজুড়ে অস্ত্র বেচেই চাঙ্গা আমেরিকার অর্থনীতি zoom
কিছুদিন আগেও ধুঁকছিল মার্কিন অর্থনীতি।

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আমেরিকার অস্ত্র ব‌্যবসা কেমন চলছে সেই প্রশ্ন সামনে উঠে আসতে শুরু করেছে। একটা সময় বলা হত নিজেদের অর্থনীতিকে রক্ষা করতেই আমেরিকাকে দেশে দেশে যুদ্ধ করে বেড়াতে হয়। কারণ মার্কিন অর্থনীতি হল এককথায় ‘ওয়ার ইকোনমি’। যুদ্ধাস্ত্র তৈরির ব‌্যবসাই হল মার্কিন অর্থনীতির ভিত্তি। যুদ্ধ লাগলে অস্ত্রের চাহিদা বাড়ে। মার্কিন সংস্থাগুলি অক্সিজেন পায়।

এবারও ইরানে আমেরিকা-ইজরায়েলের অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ও অস্ত্র উৎপাদনকারী সংস্থাগুলির ব‌্যবসা হু হু করে বেড়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর অস্ত্র-চাহিদা তো বেড়েইছে, মধ‌্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও বিপুল পরিমাণে মার্কিন অস্ত্রের চাহিদা তৈরি হয়েছে। শুধুমাত্র সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং কুয়েত থেকেই মার্কিন সংস্থাগুলি ১৬.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি যুদ্ধাস্ত্রের বরাত পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাডার ব‌্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা এবং যুদ্ধবিমানের সরঞ্জাম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এবারও ইরানে আমেরিকা-ইজরায়েলের অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ও অস্ত্র উৎপাদনকারী সংস্থাগুলির ব‌্যবসা হু হু করে বেড়েছে।

ইরান যুদ্ধ এখনও পর্যন্ত শুধু আকাশ যুদ্ধেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। ফলে সব দেশেরই নজর রয়েছে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব‌্যবস্থা শক্তিশালী করার কাজে। তাই ক্ষেপণাস্ত্র ট্র‌্যাকিংয়ের রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব‌্যবস্থা, যুদ্ধবিমান ইত‌্যাদির চাহিদা বিশ্বজুড়ে তুঙ্গে। ‘রেথিয়ন’, ‘লকহিড মার্টিন’, ‘নর্থ্রপ গ্রুনম‌্যান’-এর মতো মার্কিন সংস্থাগুলো অধিকাংশ যুদ্ধাস্ত্রের বরাত পাচ্ছে। গোটা বিশ্বে যখন শেয়ার বাজারে ভয়াবহ ধস তখন এইসব মার্কিন যুদ্ধাস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থাগুলোর শেয়ারের দাম ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। সংস্থাগুলোর আয় এ বছর অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

কিছুদিন আগেও ধুঁকছিল মার্কিন অর্থনীতি। থাড, প‌্যাট্রিয়টের মতো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী অস্ত্রের চাহিদা তুঙ্গে ওঠায় আচমকা ঘুরে দাঁড়িয়েছে তা। যুদ্ধের জন‌্য সরকারের খরচ বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাই ‘কুছ পরোয়া নেহি’ ভাব ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের। তারা তাদের দেশের সংসদের কাছে যুদ্ধের জন‌্য বিরাট অঙ্কের মঞ্জুরি চেয়েছে। ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই বিরাট অঙ্কের অর্থ চাইতে গিয়ে বলেছেন, ‘খারাপ লোকেদের মারতে অর্থ লাগে।’ হেগসেথের এই মন্তব‌্য নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধের খরচের জন‌্য আপাতত যে অতিরিক্ত তহবিলটি চেয়েছে তার পরিমাণ ভারতীয় মুদ্রায় ১৮ লক্ষ ৭৪ হাজার কোটির বেশি। তবে এটাই সব নয়। যুদ্ধের জন‌্য মার্কিন প্রশাসনের আরও কয়েক লক্ষ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।

ট্রাম্প-বিরোধী ডেমোক্র‌্যাটরা যুদ্ধের জন‌্য কোষাগার থেকে এই বিশাল ব‌্যয়ের বিরোধিতা করছে। যদিও তাদের এই বিরোধিতা ধোপে টিকবে বলে মনে হয় না। কারণ যুদ্ধাস্ত্র নির্মাণের শক্তিশালী লবি ট্রাম্পের পিছনে দাঁড়াবে। একদিকে বিভিন্ন দেশকে যুদ্ধাস্ত্র বিক্রি করে তারা বিরাট মুনাফা করবে এবং অন‌্যদিকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন‌্য তারা ট্রাম্পকে অর্থের জোগান দেবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.