Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Kashmir Issue

কাশ্মীর সমস্যার সমাধান বাস্তবায়িত হতে পারে কোন পথে?

পাকিস্তান যতই অস্বীকার করুক, ইতিহাস মিথ্যা হয়ে যায় না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৩:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৩:৫৩

options
link
কাশ্মীর সমস্যার সমাধান বাস্তবায়িত হতে পারে কোন পথে? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কাশ্মীর সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ভারত, পাকিস্তান এবং সেখানকার মানুষের মধ্যে প্রয়োজন বিশ্বাস ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আলোচনা।

সত্য চিরন্তন, শাশ্বত। যতই প্রচারের ঢক্কানিনাদ চলুক না কেন, সত্যকে আড়াল করা, বা ধামাচাপা দেওয়া অসম্ভব। অন্ধকার কাটিয়ে সত্যের আলো কোনও না কোনও সময় উদ্ভাসিত হবেই। এমন বহু ঘটনা, দৃষ্টান্ত বা প্রচার রয়েছে, যা বিভিন্ন কায়েমি স্বার্থের প্রয়োজনে ছড়ানো ও প্রচারিত হয়েছিল। যা ছিল সর্বৈব মিথ্যা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তা ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তেমনই একটি বহুল চর্চিত বিষয়- জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যু।

Advertisement

স্বাধীনতার অব্যবহিত পর তৎকালীন ‘স্বাধীন’ রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীর কীভাবে, কেন ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়, তা ঐতিহাসিক সত্য। পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর চক্রান্ত রুখে মহারাজা হরি সিং ভারতভুক্তির পক্ষেই সায় দিয়েছিলেন। পাকিস্তান যতই তা অস্বীকার করুক বা রাষ্ট্রসংঘে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়ে বিতর্ক জিইয়ে রাখার চেষ্টা করুক, ইতিহাস মিথ্যা হয়ে যায় না। এবং জম্মু ও কাশ্মীর যে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ- এ সত্য অস্বীকার করতে পারছে না বিশ্বের কোনও দেশই। যা স্পষ্ট হয়েছে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরে-র মন্তব্যেও। মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গে দেখা করে সার্জিও মন্তব্য করেছেন, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতেরই অংশ। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন, এই অঞ্চলে ভ্রমণের জন্য মার্কিন মুলুকের নাগরিকদের যেসব পরামর্শ দেওয়া হয়, তাতে বেশ বদল আনা হবে। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তান তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

স্বাধীনতার অব্যবহিত পর তৎকালীন ‘স্বাধীন’ রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীর কীভাবে, কেন ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়, তা ঐতিহাসিক সত্য। পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর চক্রান্ত রুখে মহারাজা হরি সিং ভারতভুক্তির পক্ষেই সায় দিয়েছিলেন। পাকিস্তান যতই তা অস্বীকার করুক, ইতিহাস মিথ্যা হয়ে যায় না।

ইসলামাবাদের ইন্ধনে জম্মু ও কাশ্মীরের একাংশে বিচ্ছিন্নতাবাদী ভাবনা দানা বেঁধেছে। তারা পাকিস্তানের হাতে তামাক খেয়ে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার দাবি তুলেছিল। কিন্তু তারা কতটা পাকিস্তানের সঙ্গে যেতে আগ্রহী, সে নিয়েও সংশয় থেকে যায়। বিশেষত, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষের উপর সে দেশের সেনার মারাত্মক দমন-পীড়ন, স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্গতি উপত্যকার মানুষের চোখ খুলে দিয়েছে। এই ভূখণ্ডের নিজস্ব প্রেসিডেন্ট, সরকার, আইনসভা ও আদালত রয়েছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক, নিরাপত্তা ও বৈদেশিক বিষয়ে পাকিস্তান এখনও নির্ণায়ক প্রভাব বজায় রেখেছে। এবং জনগণের ন্যায্য দাবি পূরণ করার বদলে তাদের উপর গুলি চালাচ্ছে, নির্বিচারে গ্রেপ্তার করছে পাক সেনা।

ইসলামাবাদের ইন্ধনে জম্মু ও কাশ্মীরের একাংশে বিচ্ছিন্নতাবাদী ভাবনা দানা বেঁধেছে। তারা পাকিস্তানের হাতে তামাক খেয়ে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার দাবি তুলেছিল। কিন্তু তারা কতটা পাকিস্তানের সঙ্গে যেতে আগ্রহী, সে নিয়েও সংশয় থেকে যায়।

কাশ্মীর সমস্যাকে ভারত-বিরোধিতার জিগির ও নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে পাক সেনাশাসক এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব। রাজনৈতিক-আর্থিক কারণে এই ইস্যু জিইয়ে রাখে প্রথম বিশ্বের কয়েকটি দেশও। কাশ্মীর সমস্যার সমাধান তত্ত্বগতভাবে সম্ভব হলেও বাস্তবায়নে তা অত্যন্ত জটিল। এর স্থায়ী সমাধানের জন্য ভারত, পাকিস্তান এবং কাশ্মীর উপত্যকার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস, নমনীয় মনোভাব ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আলোচনা প্রয়োজন। সামরিক শক্তি প্রয়োগে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। পাক নেতৃত্বের সুবুদ্ধি ফিরলেই যা বাস্তবায়িত হতে পারে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.