Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

সুজয়ের হাতের ছোঁয়ায় কেমন হল ‘বদলা’?

জেনে নিন কেমন হল ছবিটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০১৯, ২০:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০১৯, ২০:৩৮

options
link
সুজয়ের হাতের ছোঁয়ায় কেমন হল ‘বদলা’? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রিমেক মাত্রই খারাপ, বস্তাপচা। এমন ধারণা বদলানোর সময় বোধহয় এবার এসে গিয়েছে। সৌজন্যে ‘বদলা’। সুজয় ঘোষের এই সাম্প্রতিকতম ছবিটি স্প্যানিশ ছবি ‘দ্য ইনভিজিবল গেস্ট’ এর অনুকরণে তৈরি হয়েছে। কিন্তু পরিচালনা, অভিনয় আর সিনোটোগ্রাফির গুণে রিমেকের চিরাচরিত তকমা ছাড়িয়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছে ‘বদলা’।

অর্জুন খুন হয়। খুনের অভিযোগ ওঠে হাই-প্রোফাইল ব্যবসায়ী নয়নার বিরুদ্ধে। মামলা আদালতে ওঠে। নয়নার পক্ষে আইনজীবী বাদল গুপ্ত। এই আইনজীবীর মার্কশিট আবার ঝকঝকে। ৪০ বছরে একটিও মামলা হারেনি সে। এমন এক আইনজীবী হঠাৎ নয়নার মামলা হাতে নিল কেন? কারণ বাদলের বিশ্বাস খুন করেনি নয়না। তাকে ফাঁসানো হয়েছে। মামলা লড়তে শুরু করেন তিনি। খুলতে শুরু করে একের পর এক পরত।

Advertisement

হিংসুটে বা মুখরা নয়, এক অন্য শাশুড়ি-বউয়ের গল্প দেখাল ‘মুখার্জিদার বউ’ ]

‘বদলা’ ছবিতে চোখ টানবে অমিতাভ বচ্চন আর তাপসী পান্নুর অভিনয়। ‘পিংক’ ছবিতে তাঁদের জুটি দর্শকের নজর কেড়েছিল। এখানে তা আরও অনেক পোক্ত। বাদল গুপ্তর ভূমিকায় অমিতাভের অভিনয় বেশ সাবলীল। তাঁর মতো একজন জাঁদরেল অভিনেতার থেকে এটাই আশা করা যায়। তাপসী পান্নুও কিছু কম যান না। তাঁর স্ক্রিন প্রেজেন্স অসাধারণ। অমিতাভকে এক ইঞ্চিও জমি ছেড়ে দেননি তিনি। এই ছবি দিয়েই বলিউডে পা রাখলেন মালয়ালম অভিনেতা টোনি লুক। নিজের চরিত্রে তিনি যথাযথ। ছবিতে আর একজন নজর কেড়েছেন। তিনি অমৃতা সিং। তাপসীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের দৃশ্যটি অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। এছাড়া তনবীর ঘানির অভিনয়ও ভাল।

ছবির চিত্রনাট্য আঁটসাট। কোনও জায়গায় ফাঁক ছাড়েননি চিত্রনাট্যকার সুজয় ঘোষ ও রাজ বসন্ত। অভীক মুখোপাধ্যায়ের সিনেমোটোগ্রাফি অসাধারণ। এর আগে বাংলায় তো তিনি প্রচুর অসাধারণ কাজ উপহার দিয়েছেন দর্শককে। কিন্তু তাঁর কাজ হিন্দি ছবিতে দেখার সুযোগ মিলেছিল ‘পিংক’ ছবিতে। ছবির আর একটি প্লাস পয়েন্ট ছবিতে কোনও গান নেই। হিন্দি ছবি গান ছাড়া বানানোর মধ্যে একটা বিরাট ঝুঁকি আছে। পরিচালক সুজয় ঘোষ সেই ঝুঁকিটি নিয়েছেন এবং সেই কাজে তিনি সসম্মানে উত্তীর্ণও হয়েছে। বিদেশি ছবিটিকে তিনি ভারতীয় মোড়কে মুড়ে মুখরোচক হিসেবে পেশ করেছেন। পরিচালকের স্বার্থকতা এখানেই।

পঙ্কজ-বীরেন্দ্র বনাম হেমন্ত-উত্তম, ‘মহালয়া’য় উঠে এল অনেক অজানা ইতিহাস ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.