Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬

‘অস্কার’ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন প্রিয়াংশু-অপরাজিতা-সাহেবরা

কেমন করে শুরু হল এই স্বপ্ন দেখা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:১২

options
link
‘অস্কার’ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন প্রিয়াংশু-অপরাজিতা-সাহেবরা zoom

টলিউডের পিরিয়ড কমেডিতে অস্কারপ্রসঙ্গ কেমন করে এল? উত্তর খুঁজলেন সোমনাথ লাহা।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সিনেমা তৈরি হয় ভারতবর্ষে। কিন্তু পরিমাণ বা সংখ্যার দিক থেকে চলচ্চিত্র তৈরিতে আমাদের দেশ এগিয়ে থাকলেও খুব কম সংখ্যক সিনেমাই গুণমানের দিক থেকে উন্নতমানের হয়। কারণ বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায় পরিচালকের বিষয়-ভাবনা, পরিবেশ-পরিস্থিতি-সহ সমস্ত প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে সঠিকভাবে পর্দায় প্রতিফলিত হতে পারে না। খুব স্বল্প ক্ষেত্রেই তা সম্ভবপর হয়ে ওঠে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এহেন বিষয়-ভাবনাকে কেন্দ্র করেই পরিচালক পার্থসারথি মান্নার পিরিয়ড কমেডি ছবি ‘অস্কার’। পিরিয়ড কমেডি হলেও ছবির মধ্যে রয়েছে স্যাটায়ারের ছোঁয়া। প্রসঙ্গত পার্থসারথির এটি প্রথম ছবি। ইতিপূর্বে মুম্বইতে রজনীশ ঠাকুর, শচীন প্রভাকর করণ্ডের মতো পরিচালকদের সহকারী হিসাবে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন শর্টফিল্ম তথা স্বল্পদৈর্ঘের ছবি তৈরি করেছেন তিনি। তাঁর তৈরি শর্ট ফিল্ম ‘কাইট- দ্য মেসেঞ্জার’ রীতিমতো প্রশংসিত ও সমাদৃত হয়েছে বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে।

ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন প্রিয়াংশু চট্টোপাধ্যায়, সাহেব ভট্টাচার্য, অপরাজিতা আঢ্য, শকুন্তলা বড়ুয়া, খরাজ মুখোপাধ্যায়। শ্রেয়ান্ত ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত এই ছবির প্রযোজক সুমন পাল। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ছবির ফার্স্ট লুক। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে মে মাসের শেষে মুক্তি পাবে এই ছবি।

Oskar--2

ছবির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ১৯৮৩-র পটভূমিকায় ঝাড়খণ্ড ও বাংলার সীমান্তবর্তী একটি ছোট গ্রাম অচিনপুরকে কেন্দ্র করে। এহেন গ্রামের একদা জমিদার চট্টোপাধ্যায় পরিবার। জমিদারি আজ না থাকলেও পারিবারিক আভিজাত্য বহন করে চলেছে তারা। এই জমিদার পরিবারের বর্তমান কর্তা ৩৬ বছর বয়সি রুদ্র চট্টোপাধ্যায় (প্রিয়াংশু)। সামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকা রুদ্রর ইচ্ছা একদিন পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়াই করে জয়ী হয়ে অচিনপুরের পঞ্চায়েত প্রধান হওয়া। রুদ্রর ছোট ভাই রাতুল (সাহেব) প্রতিভাবান লেখক। যদিও রাতুলের লেখালেখি নিয়ে রুদ্রর উৎসাহ নেই। রুদ্র ও রাতুল ছাড়া এই জমিদার পরিবারে রয়েছেন তাদের ৮৫ বছর বয়সি ঠাকুরমা (শকুন্তলা বড়ুয়া)। যিনি দীর্ঘদিন যাবৎ কোনও কথাই বলেন না। সমস্তটাই ইশারায় বোঝান।

[বিবাহিত জীবনে সুখী নই, বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি রাধিকা আপ্টের]

ঘটনাচক্রে হঠাৎ করেই ঘুমের মধ্যে এক অদ্ভুত রকমের দুঃস্বপ্ন দেখতে শুরু করে রাতুল। যে স্বপ্ন দেখে সোনালি বর্ণের এক এমন মানুষকে যে তার নাম ধরে ডাকে। ক্রমশ দুঃস্বপ্ন দেখে অস্থির হয়ে ওঠা রাতুলের জন্য চিকিৎসার ত্রুটি রাখে না রুদ্র। ডাক্তার, কবিরাজ, ওঝা সকলেরই স্মরণাপন্ন হয় সে। এই সময় আচমকাই পুরনো এক খবরের কাগজ দেখে চমকে ওঠে রাতুল। দেখা যায় সেই কাগজে ভানু আথাইয়া ‘গান্ধী’ ছবির জন্য সেরা কস্টিউম ডিজাইনার হিসাবে অস্কার পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে। রাতুল তার দাদা রুদ্রকে জানায় এতদিন ধরে সে অস্কার-মূর্তির স্বপ্নই দেখে এসেছে।

Oskar--3

রুদ্র, রাতুলের মুখে অস্কার কথাটা শুনে হঠাৎই কথা বলে ওঠেন তাদের ঠাকুরমা। জানা যায় রুদ্র, রাতুলের বাবা রমাপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের একসময় সিনেমা তৈরির ইচ্ছে থাকলেও তার বাস্তবায়ন ঘটেনি। ঠাকুরমার মুখে একথা শোনার পর দুই ভাই বাবার অসম্পূর্ণ ইচ্ছে পূরণের তাগিদে নেমে পড়ে ছবি তৈরি করতে। রুদ্র রাতুল কি পারে অস্কার-জয়ী ছবি নির্মাণ করতে? নাকি তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়? রাতুল কি পারে দুঃস্বপ্ন থেকে বেরিয়ে আসতে শেষ পর্যন্ত? উত্তর মিলবে ছবির পর্দায়।

ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, অভ্রজিৎ চক্রবর্তী, আয়ুশী তালুকদার, দেবলীনা বিশ্বাস ও অন্যান্য শিল্পীরা। ছবির কাহিনিকার পরিচালক স্বয়ং। চিত্রনাট্য লিখেছেন দীপ বসু, রবীভূষণ কুমার ও পরিচালক নিজে। সংগীত পরিচালনায় লয়-দীপ। প্লেব্যাকে রয়েছেন রূপম ইসলাম, অন্বেষা দত্তগুপ্ত, রাজ বর্মন ও কমলিকা। সিনেমাটোগ্রাফার কুণাল আর খোতাই। শুটিং হয়েছে কলকাতা-সহ পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঘাটশিলায়।

নিজের ছবি প্রসঙ্গে পার্থসারথির মন্তব্য, “এই ছবির নাম কেন ‘অস্কার’ রাখা হয়েছে সেটা দর্শকরা ছবি দেখলেই বুঝতে পারবেন। কমেডি ছবি হলেও এর বিষয়ভাবনা ভীষণই প্রাসঙ্গিক। আমি ভীষণই উৎসাহিত এই ছবি নিয়ে। এই ছবির মধ্যে দিয়ে আমি চেষ্টা করেছি অন্যরকম গল্প বলার পাশাপাশি দর্শকদের পূর্ণ বিনোদন দেওয়ার। এই ছবির গল্পের সঙ্গে দাদাসাহেব ফালকে জড়িয়ে রয়েছেন। কীভাবে তিনি জড়িয়ে রয়েছেন এবং বাংলার সঙ্গে তার যোগসূত্র ঠিক কোথায় তা জানতে হলে ছবিটা দেখতে হবে।”

[সত্তরে সুমন: নিশানের নাম বাংলা খেয়াল]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.